টেকনাফ টুডে ডটকম :
টেকনাফে এক শিশুকে অপহরণের ঘটনায় কথা কাটাকাটির জের ধরে হামলায় শিশুর মামা, ভাই সহ ৫ জন গুরুত্বর আহত হয়েছে। আহতদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসার পর গুরুত্বর আহত ১জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
জানা যায়, টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের মুন্ডার ডেইল গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম(১৪)কে গত শুক্রবার বেড়ানোর কথা বলে ইনানীর পাহাড়ী এলাকায় নিয়ে কৌশলে আটকে রাখে মো.হোসেন প্রকাশ শরীফ নামে পূর্ব পরিচিত এক যুবক। উক্ত শরীফ ইনানী এলাকার বাসিন্দা হলেও সে মুন্ডার এলাকার এক নারীকে বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করে আসছিল এবং পেশায় টমটম চালক। এ ঘটনায় অপহরণের শিকার সাইফুল ইসলামের মামা মো. সিরাজ মিয়া গত রোববার টেকনাফ থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরী করেন। যার নাম্বার ৮৮৭।
এদিকে অপহৃত সাইফুলকে ইনানীর গহীন পাহাড়ে নিয়ে আটকে রাখার ৩ দিন পর সে কৌশলে পালিয়ে যায়। পালিয়ে সে ইনানী বটতলী নামক এলাকায় জনৈক মনজুর আলমের বাড়িতে আশ্রয় নেয় ও পরে টেকনাফ বড় হাবির পাড়া এলাকার তার মামার কাছে মোবাইলে জানালে তারা সোমবার বিকালে ইনানী এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। তার মামা ও খালাত ভাইয়েরা তাকে উদ্ধার করে মুন্ডার এলাকায় নিজ বাড়িতে পৌঁছে দিতে গেলে সেখানে অপহরণের ঘটনা নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের উপর হামলা চালিয়ে লাঠিসোটা নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে অপহৃত সাইফুলের মামা আব্দুর রহমান, আব্দুল্লাহ, সিরাজ মিয়া, খালাত ভাই দেলোয়ার হোসেনসহ ৫ জন গুরুত্বর আহত হয়। আহত দেলোয়ার হোসেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জানান, সাবরাং ১নং ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার ডানুর নেতৃত্বে মুন্ডার ডেইল এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে কামাল, জাকারিয়ার ছেলে গফুর, নুরু ও ইসমাঈল সহ সন্ত্রানীরা তাদের উপর নির্মমভাবে হামলা চালায়।
এঘটনায় থানায় এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আহতের স্বজনরা।
