টেকনাফ টুডে ডেস্ক : চার বছর আগে সর্বশেষ ‘টাইম মেশিন’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল চিত্রনায়িকা রত্নার। এরপর তাকে আর নতুন সিনেমার শুটিং করতে দেখা যায়নি। শুটিং আর পর্দায় আগের মতো না থাকলেও মাঝে মাঝে সিনেমাপাড়ায় দেখা মেলে এই নায়িকার। সব মিলিয়ে কেমন আছেন? রত্না বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। বেশ ভালো আছি। এই পরিস্থিতিতে বেঁচে আছি এটাই শুকরিয়া। সম্প্রতি ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনের দিন এফডিসিতে এসেছিলেন। আনেকদিন পর এসে কেমন লেগেছে? রত্না বলেন, পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হয়েছে।
সচরাচর তো তাদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া বা কথাবার্তা হয় না। ভীষণ ভালো লেগেছে। চলচ্চিত্র থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন কেন? রত্না বলেন, দেখেন সিনেমা কম হচ্ছে। চলচ্চিত্রের অবস্থা অনেকদিন ধরেই খারাপ। এখন তো করোনার কারণে আরও নাজুক হয়ে গেছে। হাতে কাজও নিচ্ছি না তাই। এর থেকে উত্তরণের উপায় কী? রত্না বলেন, সময় লাগবে। চলচ্চিত্রে অনেক কিছুর ঘাটতি রয়েছে। পেশাদার প্রযোজক, হল, পরিচালক, শিল্পী সব কিছুরই সংকট। ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো সুধরালে উত্তরণ সম্ভব হবে। স্কুলে পড়াকালীন সিনেমায় আসেন রত্না। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। এখন ব্যস্ত রয়েছেন আইন পেশার অনুশীলনে। পড়াশোনা আর সিনেমা একসঙ্গে সামলেছেন কীভাবে? রত্না বলেন, ইচ্ছে থাকলে সবই সম্ভব। ফজরের আজান দেয়ার সাথে সাথেই আমি উঠে যেতাম। সিরিয়াস ছিলাম। রুটিন মাফিক সব করতাম। পড়াশোনা আর নিজের অন্য কাজগুলোর জন্য আলাদা সময় রেখে দিতাম। আমি চলচ্চিত্র তারকা এটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম না। এখন আদালতে অনুশীলন করছি। এটাও খুব গুরুত্বসহকারেই করছি। সামনে আপনার কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পাবে? রত্না বলেন, আমার চারটা সিনেমা পুরোপুরি প্রস্তুত। সেগুলো হয়তো ধাপে ধাপে মুক্তি পাবে। একবারে কবে নাগাদ মুক্তি পাবে সেটা এই মূহুর্তে বলতে পারছি না। ২০০২ সালে ছবিতে অভিনয় শুরু করেন রত্না। তার বিপরীতে ছিলেন নায়ক ফেরদৌস। সেই শুরু। দশম শ্রেণিতে পড়াশোনার সময় তার হাতে আসে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ইতিহাস’ ছবির কাজ। এই ছবিতে কাজী মারুফের বিপরীতে অভিনয় করে ব্যাপক সফলতা পান রত্না। এরপর অনেক ছবিতেই কাজ করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তামান্না ফিল্মস নামে প্রযোজনা সংস্থাও গড়ে তুলেছিলেন রত্না।
