এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া : চকরিয়ায় যাত্রীবাহি মাইক্রোবাস ও মালবাহি কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছে। এসময় কমবেশি আহত হয়েছে আরো ৬ যাত্রী। আহতদের মধ্যে তিনজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও অন্যদের ¯’ানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাংয়ের ভান্ডারিয়ার ডেবা এলাকায় ঘটেছে এ সড়ক দূর্ঘটনা।
নিহতরা হলেন- মাইক্রোবাসের যাত্রী চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকার আলামিয়া সওদাগর বাড়ির ইদ্রিস আলির ছেলে আরমান হোসেন (৩৮) ও মাইক্রোবাসের চালক চকরিয়া উপজেলা ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বৈরাগীরখিল এলাকার মৃত বারেক হোসেনের ছেলে সাহেদুল ইসলাম পাপ্পু (৩৫)। অপরদিকে আহত ৬জনের মধ্যে মাইক্রোবাসের যাত্রী মোহাম্মদ শাহাজাহান (৪০), শওকত আকবর (৪০) ও জুয়েল দাশগুপ্ত (৪৫) কে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তন্মধ্যে জুয়েল দাশগুপ্তের অবস্থা আশংকাজনক। আহতরা সবাই চট্টগ্রামের অন্যতম শিল্প প্রতিষ্ঠান মোস্তাফা গ্রæপের কর্মকর্তা-কর্মচারী বলে জানা গেছে।
দূর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহাসড়কের চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের আইসি (ইনর্চাজ) সার্জেন্ট মো.নুরে আলম পলাশ বলেন, রোববার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে মোস্তাফা গ্রæপে কর্মরত বেশ কজন কর্মকর্তা-কর্মচারী চট্টগ্রাম থেকে চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ে বিয়ের পূর্ব রাতে মেহেদী অনুষ্টানে যোগ দিতে আসেন। গতকাল সোমবার ভোরে মেহেদী অনুষ্টান শেষে তাঁরা হারবাং থেকে যাত্রীবাহি একটি মাইক্রোবাসে করে চট্টগ্রাম ফিরছিলেন। তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটি উপজেলার উত্তর হারবাংয়ের ভান্ডারিয়ার ডেবা এলাকায় অতিক্রমকালে বিপরীত দিক থেকে আসা মালবাহি একটি কাভার্ড ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনা¯’লে মাইক্রোবাস চালকসহ দুইজন নিহত হয়।
তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অব¯’ায় তাৎক্ষনিক চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা¯’ল থেকে গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে। তবে কাভার্ড ভ্যানের চালক-হেলপার পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।###
