এম.জিয়াবুল হক : করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে জনগনের সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারি নির্দেশনার আলোকে জীবনযাত্রায় মুখে মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হলেও কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বিভিন্ন জনপদে তা লঙ্ঘনের যতেষ্ঠ প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার ২৯ জুলাই বিকালে একঘন্টার অভিযানে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের হাতে ধরা পড়েছে মাস্কবিহীন ৪৩ নাগরিক। পরে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ সামসুল তাবরীজ ভূল স্বীকার সাপেক্ষে উল্লেখিত ৪৩ নাগরিককে সংক্রামণ রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন,২০১৮ অনুযায়ী অর্থ জরিমানা করে সর্তক করে দিয়েছেন।
চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, সরকারি নির্দেশনায় বলা আছে, প্রাত্যহিক জীবন-যাত্রায় সর্বসাধারণকে অবশ্যই মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। এটি সরকারিভাবে বাধ্যতামূলক করা হলেও অনেকে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে দোকান পরিচালনা এবং মুখে মাস্ক ব্যবহার না করে অবাধে চলাফেরা করার ঘটনায় বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চকরিয়া পৌরশহরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ শামসুল তাবরীজ।
এসময় আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অভিযানে চারটি দোকান এবং মাস্ক না পড়ে রাস্তায় চলাচলরত ৪৩ জনের কাছ থেকে ৩১ টি মামলার বিপরীতে ৫ হাজার ৫’শ টাকা জরিমানা করেছেন। পাশাপাশি জনগণকে মাস্ক পড়তে এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন আদালত।
অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলা ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও সৈয়দ সামসুল তাবরীজ বলেন, সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী মাস্ক পড়া বাধ্যতামুলক। বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই মাস্ক পড়তে হবে। কেউ মাস্ক না পড়লে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, আদালতের অভিযানের সময় প্রতীয়মান হয়েছে অনেকে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করছেন। তাই সংক্রমণ রোগ নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ ও নিমূল আইনের আলোকে তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযানের সময় আদালতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া থানা পুলিশের একটি ইউনিট, আনসার সদস্য, উপজেলা টেকনিশিয়ান এরশাদুল হক ছাড়াও আদালতের কর্মকর্তারা। ##
