এম.জিয়াবুল হক, চকরিয়া :
চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বানিয়ারচর মাদ্রাসা পাড়া এলাকায় চলাচল পথের বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের সশস্ত্র হামলায় একই পরিবারের ১২ নারী-পুরুষ সদস্যকে কুপিয়ে জখম ১২ নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় ওই বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকারসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করেছে হামলাকারীরা। ঘটনার পরপর আহতদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাঁচজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ও কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে কর্তব্যরত চিকিৎসক। সোমবার রাত দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
আহতেরা হলেন আক্রান্ত পরিবারের গৃহকর্তা নুরুল মোস্তফার স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০), ছেলে আব্দুল হামিদ (৩০), মহিব উল্লাহ (২৮), আবু তৈয়ব (২৬), মহিব উল্লাহর স্ত্রী সেতু মনি (২৩), আব্দুল হামিদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (২৬), আব্দুল জলিলের স্ত্রী এলমুন্নাহার (৩০), ফরিদা বেগমের মেয়ে রুজিনা আকতার (২০), ফরিদা বেগমের ভাই শামশুল আলম (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী জুহুরা বেগম (৩৬) সহ ১২জন।
স্থানীয় লোকজন ও আহতেরা বলেন, পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বানিয়ারচর মাদ্রাসা পাড়া এলাকায় নুরুল মোস্তফার পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় ফরিদুল আলমের চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে গত সোমবার বিকেলে দু’পক্ষের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওইদিন রাত দশটার দিকে ফরিদা বেগমের পুত্রবধু সেতু মনি আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যেতে বানিয়ারচর মাদ্রাসা পাড়া স্টেশনে যান। ওই সময় ফরিদুল আলমের লোকজন তাদের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। এ হামলা প্রতিহত করতে এসে তাদের পরিবারের অপর সদস্যরাও হামলার শিকার হয়।
আহত ফরিদা বেগম বলেন, ফরিদুল আলমের সাথে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। তিনি অভিযোগ করেছেন, হামলার ঘটনায় প্রতিপক্ষের ফরিদুল আলমের নেতৃত্বে মিনহাজ উদ্দীন, মিজান উদ্দিন, আজিজুল হক ওরফে রুবেল, হুমায়ন, জহির উদ্দিন, আলমগির, মোজাফ্ফর, গুরা মনিয়া প্রকাশ দাদা অংশ নেয়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আহতদের পক্ষে এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।#
