জাহাঙ্গীর আলম,টেকনাফ।
সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন এলাকাতে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে লন্ডবন্ড হয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থ দের পাশে এখনো কেউ দাড়াইনি এবং ত্রাণ সামগ্রী পৌঁেছনি অসহায় পরিবার গুলির খোলা আকাশের নিঁেচ বসবাস করে যাচ্ছে।সেন্টমাটিনে বাংলাদেশ নৌবাহীনি সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছে এবং স্থানীয় মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে হ্নীলা,শাহপরিদ্বীপ, ইউনিয়নে নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করলেও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থরা সহযোগিতা থেকে বঞ্ছিত ।হোয়াইক্যং ইউনিয়নের প্রায় ১২/১৩ হাজার মত বাড়িঘরের মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার ঘরবাড়ি ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে গেছে।অনেক পরিবারে লোকজন খোলা আকাশের নিচে মানবেতার দিন কাটাচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্থ ওয়ার্ড সমুহ হল, ১নং ওয়ার্ডের,কাটাখালী,উলুবনিয়া, কেরুনতলী, ২নং ওয়ার্ডের,তুলাতলী,খারাইংগ্যাঘোনা,বালুখালী, হোয়াইক্যং বাজার, আমতলী ৩নংওয়ার্ড,তেচ্ছিব্রিজ,লম্বাবিল,উনচিপ্রাং,রইক্ষ্যং ৪নং ওয়ার্ড,লাতুরীখোলা,লম্বাঘোনা,দৈংগ্যাখাটা,হরিখোলা,৫নং ওয়ার্ড,কান্জরপাড়া,করাচিপাড়া,বাগঘোনা,নয়াপাড়া,৬নং ওয়ার্ড,মিনাবাজার,ঝিমংখালী,৭নং ওয়ার্ড,নয়াবাজারা ,সাতঘরিয়াপাড়া,৮নং ওযার্ড,খারাংখালী,রাখাইনং পাড়া,৯নং ওয়ার্ড,মরিচ্যা ঘোনা,কমবনিয়া পাড়া ।
এর মধ্যে কান্জর পাড়া মডেল কেজি একাডেমি,কান্জর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়,তারুত তাওহিত মাদ্রসা সহ বেশ কিছু বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষ গুলি,বাড়িঘর হারিয়ে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে।অনেক লোকজনের জমা রাখা চাল,ধান,লবন সহ প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র হারিয়েছে।
ঘূণিৃঝড় মোরা’র আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া লোকজন জানান,আমাদের ঘরবাড়ি সহ অনেক প্রয়োজনীয় আসবাপত্র ধ্বংস হয়ে গেছে আমরা নিয়মিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি না কোন নেতা বা সংগঠন থেকে কোন রকম সহযোগিতা পাইনি।শোনেছি অন্যান্য ইউনিয়ন সমূহে পেয়েছে শুনলাম কিন্তু আমরা কোন ত্রান সামগ্রী পাইনি। আমরা সরকারে প্রতি আহবান জানাই দ্রুত ভাবে আমাদের সহযোগিতা করা হোক।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রাকিব আহমদ জানান,হোয়াইক্যং ইউনিয়নের গ্রাম গুলিতে ঘূর্ণিঝড় মোরা’র আঘাতে ব্যাপক হারে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হওয়া পরিবারের লোকজনদের পুর্নবাসন করার জন্য আমরা চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছি এবং আজ সকালে ক্ষতিগ্রস্থ দুইশত পরিবারে মাঝে পরিষদের বাজেট থেকে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছি।আগামীতেও আরো ত্রাণ সামগ্রী দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
