খারাংখালীতে মার্কেট স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা শীর্ষক সংবাদের ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

বার্তা পরিবেশক : গত ১৫ এপ্রিল টেকনাফ টুডে অনলাইনে প্রকাশিত “খারাংখালীর এক ব্যক্তির মার্কেট স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদে অভিযোগকারী পক্ষ প্রকৃত ঘটনা এড়িয়ে আমাদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যা আপনাদের অবগতির জন্য তুলে ধরা হল।

প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে মধ্য হ্নীলা মৌজার জেএল নং-৪, বিএস খতিয়ান নং-৫১২৬ এর বিএস দাগ ১২৪৬ এবং বিএস ৪৯৬ খতিয়ান হতে আগত ০.০২০০ ও ০.৩০৩৩ একর এবং নামজারী ও জমাভাগ মামলা নং-৮১২(৯)/২০১৮-১৯ এর ১৪-১১-২০১৮ইং তারিখের আদেশমতে সৃজিত খতিয়ানে জমির মালিক হাজী মঈন উদ্দিন ও বাগুয়ান খাতুনের পুত্র জাফর আলম, মকবুল আহমদ, হাজী ফরিদুল আলম।

এই ব্যাপারে হ্নীলা ফুলের ডেইলের মৃত আমিন উল্লাহ সওদাগরের পুত্র ছৈয়দ ওমর ও আব্দুল গফুর গং মিলে হোয়াইক্যং খারাংখালী পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়ার জমির মালিকদের উত্তরাধিকারীগণ মৃত হাজী আব্দু সাত্তারের পুত্র জাহেদ হোছাইন, শহর মুল্লুক, জেবর মুল্লুক, নুর জাহান, হাজী মঈন উদ্দিনের পুত্র মকবুল আহমদ, খলিল আহমদ, ফরিদ আহমদ হেলালী, জাফর আহমদ হেলালী ও সাতঘরিয়া পাড়ার আহমদ আলীর পুত্র আলী মিয়াকে আসামী করে টেকনাফ বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালতে অপর ২১৮/২০১২ইং দায়ের করে। বাদীপক্ষ দীর্ঘদিন আদালতে হাজির না থাকায় বিজ্ঞ আদালত আদেশ নং-৪৫, তারিখ-১৯-০৬-২০১৮ইং বাদীর মোকর্দ্দমা ডিসমিস করে দেন। এরপর উভয়পক্ষকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য একটি জুডিশিয়াল বোর্ড গঠিত হলেও প্রতিপক্ষ সাড়া না দেওয়ায় বিষয়টি থেমে যায়।

এরপরও আব্দুর রহিম এবং সোহেল গং আদালতের আদেশ অমান্য করে গত ১৫ এপ্রিল জোরপূর্বক কাজ করতে চাইলে আমরা বাঁধা প্রদান করি। আমরা কোন ধরনের সংঘাত চাইনি বরং আমাদের প্রাপ্য জমি আমাদের বুঝিয়ে দিলে সব কিছুর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে। উক্ত সংবাদে আমরা কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

নিবেদক :
সকলের পক্ষে হাজী শহর মুল্লুক
পিতা-মৃত হাজী আব্দু সাত্তার
পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়া, খারাংখালী, হোয়াইক্যং, টেকনাফ।