: স্বল্প সময়ে গাড়ীর হেল্পার থেকে কোটিপতি হওয়ার এক চমকপদ কাহিনী রয়েছে গাড়ীর হেল্পার সৈয়দ নুরের, আলাদিনের চেরাগের মতো সিনেমার কাহিনীকেও হার মানায় তাদের উত্থানপর্ব।
বাস গাড়ীর হেল্পার হিসেবে কর্মরত সৈয়দ নুর তার বোন জামাই বার্মায়া মাহামুদুল হকের হাত ধরে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত এখন কোটিপতি হওয়ার গল্প তৈরি করেছেন ।
স্থানীয় লোকজনের দেয়া তথ্য মতে, কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী বানুরখিলের বাসিন্দা নুর অাহমদের ছেলে সৈয়দ নুর। নুর অাহমদ রিক্সা চালিয়ে অভাব-অনটনের সংসার কাছ থেকে দেখেছেন তার ছেলে সৈয়দ নুর। এক সময়ের গাড়ি হেলপার সৈয়দ নুর নানাভাবে মিয়ানমারে সার ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সুখী পাচারের জড়িয়ে যান। আর তিনি তার বোনের জামাই মাহামুদুল হকের হাত ধরে এগিয়ে এসে সৈয়দ নুর, মাত্র কয়েক বছর আগে পরিবহন শ্রমিক হিসেবে বালুখালী এলাকার নুর অাহমদের পুত্র সৈয়দ নুর কে এলাকার লোকজন চিনতেন। একটি বাসের হেলপার এবং পরবর্তীতে বাস চালক হিসেবে কাজ করতেন এ সৈয়দ নুর। গাড়ি চালিয়ে কোনো রকম পরিবার পরিচালনার ফাঁকে দোলা ভাই মাহামুদুল হকের সঙ্গে সৈয়দ নুর জড়িয়ে যান মিয়ানমার কেন্দ্রিক চোরাচালান ব্যবসার সঙ্গে।
স্থানীয় লোকজন ও গোয়েন্দা তথ্য মতে, তারা শুরুতে মিয়ানমারে সার ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সুখী পাচার করতে গিয়ে চিনে নেয় চোরাচালানের অলিগলি।
একপর্যায়ে সৈয়দ নুর তার ভাই শাহ অালমগীর কে সঙ্গে নিয়ে জড়িয়ে যান ইয়াবা পাচারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় তাদের সাথে অানোয়ারুল ইসলাম(বিকাশ অানোয়ার), জাফর ইকবাল, পুলিশ কনেস্টবল অালাউদ্দিন। তারা প্রত্যেকে কেউ দিনমজুর, কেউ পরিবহন শ্রমিক হিসেবে কাজ করলেও স্বল্প সময়ে বদলে যায় তাদের ভাগ্য। তারা পর্যটন শহর কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে কোটি টাকার বাড়ি, কয়েক কোটি টাকার জমি, একাধিক গাড়ির মালিক বনে সৃষ্টি করেন চমক।
ইয়াবা পাচারে জড়িয়ে কোটিপতি হওয়া সৈয়দ নুর,তার বোনের জামাই মাহামুদুল হক সাবেক মেম্বার ভুট্রো,অাকবর অাহমদ, অানোয়ার সহ অনেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় লিপিবদ্ধ হয়ে যান। তাদের সঙ্গে তাদের স্ত্রীরাও ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে যান।তাদের দৃশ্যত সম্পদের মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার সড়কের বিলকিস নামে একটি আবাসিক কটেজ।
বালুখালী কবরস্থানের পাহাড় কেটে সাবেক মেম্বার ভুট্রো নির্মাণ করছেন রাজপ্রাসাদের মতো দৃষ্টিনন্দন বাড়ি।
বালুখালী শিয়ালিয়া পাড়া এলাকায় তাদের বোন জামাই নুরুল হকের নামে আরেকটি বাড়ি রয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি মূলত ভগ্নিপতির নামে এ বাড়ির অর্থ জোগান দিয়েছেন ভুট্রো ও সৈয়দ নুর।
মাহামুদুল হকের দুইটি মিনিবাস, ডাম্বার গাড়ি রয়েছে তিনটি, সিএনজি গাড়ী সহ অনেক রয়েছে।
আর তারা সবাই এখন কয়েকটি গাড়ির মালিকও।
গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য মতে সৈয়দ নুর ও তার ভগ্নিপতি মাহামুদুল হকের নামে-বেনামে কয়েকটি বাস, হায়েস মাইক্রো, চাঁদের গাড়ি (জিপ) ও ট্রাক রয়েছে।
