মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বাংলাদেশে ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হলে পাশের দেশ মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত বানিজ্যসহ সকল সম্পর্ক ছিন্ন করোন। সীমান্তে দিবারাত্রি কারফিও জারি করুন। সীমান্ত খোলা রেখে এমপি বদি একার পক্ষে ইয়াবা ঠেকানো সম্ভব নয়। শুধু শুধু নিজেদের লোক মেরে লাভ নাই। ৩০/৪০ পরিবারের বিলাপ কারো জন্য মংগলজনক হবেনা। বার্মা সীমান্তের সব লোক এমপি বদির কথায় উঠেও না,বসেও না। ক্রসবর্ডার চোরাচালানির বিষয়টি একা এমপি বদির ঘাড়ে চাপানোও নিজেদের অক্ষমতা ছাড়া কিছুই নয়। নিজের মায়ের বুক খালি না করে দয়া করে বার্মার সাথে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করুন আর বর্ডারে দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ দিন। তাহলে ইয়াবা নয় আরে অনেক কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। সীমান্ত নিঃছিদ্র করার দায়িত্ব এমপি বদির নয়,বিজিবির। আমরা কেন মায়ের কান্না শুনব?!! মনে রাখতে হবে বার্মা থেকে ইয়াবা আসার পূর্বে বাংলাদেশে কখনো টুপি কিংবা জায়নামাজ আসেনি!!
এদিকে শনিবার রাতে শহীদ উল্লাহ তার ফেইসবুক টাইমলাইনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে উল্লেখিত স্ট্যাটাসটি দেওয়ার পর মুহুর্তেই প্রচুর লাইক ও কমেন্ট হতে থাকে। সবাই একবাক্যে তার এ সময়োপযোগী চমৎকার দাবীর প্রতি সমর্থন জানাতে থাকেন।
প্রসঙ্গত সীমান্তের সচেতন মহল দীর্ঘদিন যাবৎ দাবী করে আসছিলেন মূলত সীমান্ত বানিজ্যের আড়ালেই হচ্ছে ইয়াবার কারবার। যদিও সীমান্ত বানিজ্যের সব ব্যবসায়ী ইয়াবার সাথে জড়িত নন। তবে অনেকের দাবী সীমান্ত বানিজ্যে এলসি না থাকায় মূলত ইয়াবা কারবারীরা এ সুযোগটা লুফে নিচ্ছেন। তারা হুন্ডির মাধ্যমে পন্যের অর্থ প্রদানের সুযোগকে ইয়াবার লেনদেনে ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে। আবার সীমান্ত বানিজ্যের ট্রলার ও গরু বোঝাই ট্রলার গুলোই মূলত মিয়ানমার হতে ইয়াবা নিয়ে আসার অন্যতম বাহন। তাই শহীদ উল্লাহ যখন সীমান্ত বানিজ্য বন্ধের আহবান জানান তখন সবাই তার এ আহবানকে সময়োপযোগী ও যথার্থ বলে মত দেন।

মো: শহীদ উল্লাহ’র ফেইসবুক টাইমলাইন হতে
লেখক : মো: শহীদ উল্লাহ, সাবেক ইউএনএইচসিআর কর্মকর্তা
