বিশেষ প্রতিবেদক : পালংখালী বাজারে কয়েকটি স্থানে মহাসড়ক দখল করে চলছে রমরমা পানি উন্নয়ন বোর্ডের লবনাক্ত বালুর ব্যবসা। সড়কের উপর ট্রাক দাঁড় করিয়ে চলছে লোডিং-আনলোডিং।
সড়কের বেশির ভাগ জায়গায় বালুর স্তূপ আর সারা দিন বালুর ট্রাকের দখলে থাকায় শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঘটছে দুর্ঘটনাও। বারবার আইনশৃঙ্খলা সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পালংখালী আঞ্জুমান পাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের ম্যানেজার ও অবৈধ ডাম্পার ড্রাইভার মিলে উল্টো দোকানদার ও পথচারীদের হুমকি ধামকি দিচ্ছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়,পালংখালী ইউনিয়নের পালংখালী স্টেশনে ও পালংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে, সড়কের উপর বছরের পর বছর বালু রেখে ব্যবসা করে যাচ্ছেন প্রভাবশালীরা।
বিশেষ করে বটতলী রোডের প্রতিনিয়ত অবৈধ ডাম্পার দিন রাতে লবণাক্ত বালুর গাড়ি চলাচলের কারণে পথচারীদের স্কুল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের ভোগান্তির শেষ নেই!

পালংখালি বাজারে উত্তর দক্ষিণে বালুর চাতাল তৈরি করে সেখানেই বালুবাহী ট্রাক লোড-আনলোড করা হচ্ছে। বালু উড়ে এ সড়কে চলাচলকারীদের চোখ, মুখ ও নাকে যাচ্ছে। এই সড়কে চলাচলকারী শত শত যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। দীর্ঘদিন এ অবস্থা চললেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয় ও বাজারের ব্যবসায়ীদের। একই সঙ্গে ১০ চাকার ভারি লরিট্রাক চলাচল করায় নষ্ট হচ্ছে সংযোগ সড়কগুলো।

এবিষয়ে পালংখালী বাজার কমিটির সভাপতি কামাল উদ্দিন সওদাগর জানিয়েছেন বেপরোয়া ডাম্প ট্রাক ও সড়কের উপর বালু বিক্রি রাতের অন্ধকারে ও ফজরের নামাজের সময় চোরাচালানের গাড়ির কারণে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ গত কিছু দিন আগে চোরাচালানের গাড়ির ধাক্কায় একজন সিনিয়র শিক্ষক গুরুতর আহত হয়ে এখনো পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সিন্ডিকেট গুলো প্রভাবশালী হওয়ার কারণে মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন সড়কের উপর বালু বিক্রি বেআইনি প্রশাসন ছাড়া আমি কিছু করতে পারিনা তাদের ক্ষমতা বেশি।
মুঠোফোনে কক্সবাজার জেলা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহে আরেফিন চৌধুরী জানান বিষয়টি দুঃখজনক ব্যাপার নজরে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি দ্রুত ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
