নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়ায় ধার দেওয়া পাওনা টাকা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পাওরাদারকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে।
উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের দিগরপানখালীস্থ ব্রজেন্দ্র মহাজের ঘাটার ষ্টেশনে হামলাকারীর মুদির দোকানের সামনে চলাচল রাস্তায় ৩জুন রাত ৮.৩০ ঘটিকায় ঘটেছে এ ঘটনা।
এঘটনায় দিগরপানখালী গ্রামের মৃত মন্টু দাশের পুত্র আহত দীপক দাশ (৩০) বাদী থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করেন। এতে অভিযুক্ত করা হয়েছে; হামলাকারী একই এলাকার আবদু ছোবাহান নূরের পুত্র মোঃ আলমগীরকে।
বাদী দীপক দাশ অভিযোগে জানান, তিনি বিগত প্রায় ৩ বৎসর পূর্বে সরলার বিশ্বাসে অভিযুক্ত আলমগীরকে কিছু ধার দেন। তন্মধ্যে অদ্যাবধি পর্যন্ত ৪হাজা ৬শত টাকা পাওনা রয়েছেন। উক্ত টাকা তাকে আজ
দিবে, কাল দিবে মর্মে সময় ক্ষেপন পূর্বক হয়রানি করিয়া আসছেন। সর্বশেষ ৩জুন শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকার সময় অভিযুক্ত আলমগীরের মুদির দোকান হতে ১টি সাবান খরিদ করার পর তাহার কাছ হইতে আমার প্রাপ্ত বর্ণিত টাকা কোন সময় দিবে জিজ্ঞাসা করলে, তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাপ্ত টাকা দিবেনা মর্মে অশ্লীল গালি-গালাজ করে। ওই সময় এর প্রতিবাদ করলে, আলমগীর ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো কিরিচ নিয়ে দোকান থেকে বের হয়ে তাকে আক্রমণ করে। একপর্যায়ে ধারালো কিরিচ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথা লক্ষ্য করে কোপ মারলে, তা বাম হাত দিয়ে প্রতিহত করার সময় গুরুতর রক্তাক্ত হাঁড়কাটা জখম হয়। ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ
হয়। এসমঢ ধারালো কিরিচ দিয়ে আরো কোপাতে থাকলে পেটের ডান পাশে ও বাম কাধে পর পর আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তার আত্মচিৎকারে ষ্টেশনে থাকা লোকজন চারিদিক হতে এগিয়ে তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করান।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, ঘটনায় একজন গুরুতর জখম হয়েছে যেনেছি। আহত ব্যক্তি বাদী হয়ে একটি এজাহার দিয়েছেন।তা ৪জুন সকালে একজন অফিসারের নেতৃত্বে পুলিশ তদন্তে যাবে। সত্যতা পাওয়া গেলে মামলা নেয়া হবে। ##
