টেকনাফ টুডে ডেস্ক : দৃর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহর পরিবারের ১১ সদস্য কানাডার উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায় টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দেশ ছাড়েন তারা। কানাডার সরকার তাদের শরণার্থীর মর্যাদা দেবে বলে জানা গেছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মুহিবুল্লাহর স্বজন ও অনুসারীরা হন্যে হয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছাড়ার চেষ্টা করছিলেন। এজন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন তারা
শুক্রবার সকালে মুহিবুল্লাহর পারিবারিক বন্ধু ও মানবাধিকারকর্মী নূর খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় মুহিবুল্লাহর পরিবারের সদস্যদের স্থানান্তর করা হয়েছে। ওই ১১ জনের মধ্যে মহিবুল্লাহর স্ত্রী নাসিমা খাতুন, নয় ছেলেমেয়ে এবং এক মেয়ের জামাই রয়েছেন। তাদেরকে রিফিউজি মর্যাদা দিয়ে কানাডার গভার্নমেন্ট অ্যাসিসটেন্স প্রোগ্রামের আওতায় নেওয়া হচ্ছে।
২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্বৃত্তদের গুলিতে (৪৮) নিহত হন। মিয়ানমারের মংডুতে স্কুলে শিক্ষাকতা করতেন বলে রোহিঙ্গাদের কাছে তিনি ‘মুহিবুল্লাহ মাস্টার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
