প্রকাশিত সংবাদের শামলাপুরের ইজ্জত আলী পরিবারের প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ১০ years ago

গত ১৩ মার্চ অনলাইন সহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ফের বেপরোয়া শামলাপুরের নুরুল আলম ডাকাত’ শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে বহু মিথ্যা ও বানোয়াট কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে আমি নাকি বহু মামলার আসামী। পূর্বে নুরুল আলমকে একটি ডাকাতি মামলায় আটক করেছিল পুলিশ। এর পরে শত্রুতাবশত কয়েকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করায় শত্রুমহলেরা। ডাকাতি মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর নুরুল আলম এলাকায় সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। আমাদের বাড়ির পাশর্^বর্তী মোহাম্মদ হোসাইনের পুত্র হাবীব উল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। গত বছর টাকা ধার নেওয়ার বিষয় নিয়ে হাবীব উল্লাহ এবং আমাদের পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জের ধরে ঘটনার কয়েকমাস পর হাবীব উল্লাহ ৫ম শ্রেণিতে পড়–য়া তার মেয়েকে নির্যাতন করেছি বলে আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে নারী ও নির্যাতন নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার নং-৫৬৩/২০১৬। মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আমরা সবাই জামিনে মুক্ত হই। গত ৯ মার্চ মামলার প্রধান আসামী আমাদের ভাই জাহাঙ্গীর আলমও জামিনে মুক্ত হলে বাদীর স্বামী হাবীব উল্লাহর মাথা খারাপ হয়ে যায়। হাবীব উল্লাহ আমাদের ফাঁসানোর কোন উপায় অন্তর না দেখে শেষ পর্যন্ত আমাদের ভাই নুরুল আলম নাকি তার দুই কর্মচারী মছেন চাকমা এবং ঝন্টুইয়া চাকমার কাছ থেকে দশ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করেছে বলে পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। যে দিন হাবীব উল্লাহর কর্মচারীদের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করছিল উল্লেখ করেছে সে দিন নুরুল আলম পুরোদিন গাড়ি চালিয়েছে এবং সেদিন তার একটি মামলা সম্পর্কে কোর্টে হাজিরাও দিয়েছিল। পত্রিকায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে নুরুল আলম নাকি ফের বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। নুরুল আলম সিএনজি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এলাকায় কোন রকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বা কোন খারাপ কাজ সে করেনা। নুরুল আলম নাকি রফিক নামক এক ব্যক্তিকে আটক করে ১লক্ষ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপন আদায় করেছে। এটাও ডাহা একটি মিথ্যা কথা। আরো উল্লেখ করা হয়েছে আমাদের মা সনজিদা বেগম নাকি চিকিৎসার নামে বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি করে। তাহলে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাওকি আমাদের মায়ের কাছে ইয়াবা সেবন করতে যাই? কথাগুলো সম্পূর্ণ বাজে এবং মাতলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। হাবীব উল্লাহ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এরকম মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আসছে। বরং হাবীব উল্লাহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত একজন মানব পাচারকারী। টেকনাফের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকায় তার নাম ২৪ নাম্বার সিরিয়ালে রয়েছে। তাছাড়া তার বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় হত্যা মামলা ও ইয়াবা মামলা সহ আরো কয়েকটি ওয়ারেন্ট মামলা রয়েছে। সে মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী। ওয়ারেন্টের আসামী হওয়া সত্বেও কোন বলে সে এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরা-ফেরা করছে তা আমরা জানিনা। বন বিভাগের জমি দখল করে শিফা গার্ডেন নামে যে তার বাগানটি রয়েছে সেখানে নিয়মিত চলে মদ, ইয়াবা ব্যবসা ও সেবনের আড্ডাখানা। হাবীব উল্লাহ নিয়মিত মাদক দ্রব্য সেবন করে মাতাল থাকে আর দিন-দুপুরে অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরা করে যা এলাকার সবার জানা। এলাকায় তার কোন ব্যবসা-বানিজ্য নেই। তা সত্ত্বেও সে কিভাবে জাঁকঝমকপূর্ণভাবে চলা-ফেরা করে এ নিয়ে এলাকাবাসী নানান সন্দিহানে রয়েছে। পত্রিকায় উল্লেখিত বিষয়াবলী সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদীত। আমরা সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আর সংবাদকর্মী ভাইদের সঠিক তদন্ত না করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ রাখছি।

প্রতিবাদকারী
জাফর আলম, শামশুল আলম নুরুল আলম, আলী আকবর ও জাহাঙ্গীর আলম।
শামলাপুর, বাহারছড়া, টেকনাফ।