বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা বিভিন্ন পয়েন্টে পৃথক অভিযান চালিয়ে আইস,ইয়াবা ও মিয়ানমার মুদ্রা কিয়াত উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় হাতে-নাতে ২জনকে আটক এবং ১জনকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।
সুত্র জানায়,৩মার্চ ভোররাত ৪টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের শাহপরীর দ্বীপ বিওপির জওয়ানেরা মিয়ানমার হতে মাদকের চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জালিয়াপাড়া সংলগ্ন নাফনদীর কিনারায় একটি পরিত্যক্ত নৌকায় তল্লাশী চালিয়ে ৫কোটি ২৫লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১কেজি ৫০গ্রাম আইস ও মিয়ানমার মুদ্রা বাংলাদেশী ৫২হাজার টাকা সমপরিমাণ ১০লাখ ৪০হাজার কিয়াত উদ্ধার করে। যা পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি,গন্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়।
অপরদিকে গত ২রা মার্চ রাতে হ্নীলা বিওপির চৌধুরী পাড়া সংলগ্ন নাফনদীর খড়ের দ্বীপে মাদকের বড় চালান লুকায়িত থাকার সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ টহল দল অভিযান চালিয়ে হ্নীলা চৌধুরী পাড়ার মৃত আলী হোসেনের পুত্র মোঃ আব্দুর রহিম (২২) এবং নাটমোরা পাড়ার আবুল হাশেমের পুত্র মোঃ আব্দুল মোতালেব (২৩) কে আটক করে। তাদের স্বীকারোক্তিতে মাটির নীচে লুকানো অবস্থায় ৯কোটি ৯০লক্ষ টাকা মূল্যমানের ১কেজি ৮শ গ্রাম আইস এবং ৩৯হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার জানান,এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে ধৃত ২জন এবং পলাতক ১জনকে আসামী করে মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত মাদকসহ আটকদের টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের মতে ধৃত রহিমের বড় ভাই মীর কাশেমসহ রঙ্গিখালী লামার পাড়াসহ বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট এই পয়েন্ট দিয়ে রোহিঙ্গা পারাপার, চোরাচালানসহ লেদা, আলীখালী, রঙ্গিখালী, উলুচামরী কোনারপাড়া, নাটমোরা পাড়াসহ বিভিন্ন স্থানের মাদক কারবারীদের মাদকের চালান খালাস করে থাকে। গত মাসের ২১শে ফ্রেব্রুয়ারী রাতের প্রথম প্রহরের দিকে ৭২হাজার ইয়াবার চালান খালাস করে ছিনতাই করার ঘটনা ঘটেছে। উক্ত পয়েন্টের এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা দরকার বলে সচেতন মহল মনে করেন। ###
