বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় বসত-ভিটা এবং মামলা বিরোধের জেরধরে চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী ও সন্ত্রাসী আবছারের ছুরিকাঘাতে নিহত আব্দুল নবীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। তার প্রকৃত খুনী আবছারকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবী উঠেছে।
২২ ডিসেম্বর (বুধবার) বিকালে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আব্দুল নবীর মৃতদেহ বিকালে বাড়িতে আনা হয়। রাত সাড়ে ৮টায় স্থানীয় গোরস্থানে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত হয়ে শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন এবং প্রকৃত খুনীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। এই মামলায় নিরীহ কোন মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখার জন্য ভিকটিমের পরিবারের প্রতি আহবান জানানো হয়। এরপর তাকে স্থানীয় কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত করা হয়।
এই ঘটনায় জড়িত এবং উস্কানীদাতাদের বিরুদ্ধে নিহতের পরিবার একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের বসত-ভিটার জমি নিয়ে বিরোধ এবং মামলা-মোকর্দ্দমার জেরধরে গত ২১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) রাত ১১টারদিকে হ্নীলা লেচুয়াপ্রাং এলাকার ছৈয়দ হোছন প্রকাশ গুরা মিয়ার ২য়পুত্র আব্দুল নবী (৩২) কে স্থানীয় নুর হোছনের পুত্র, এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী, সন্ত্রাসী ও বখাটে আবছার উদ্দিনের নেতৃত্বে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়। পরে উপস্থিত লোকজন রক্তাক্ত আব্দুল নবীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য লেদা আইএমও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। কক্সবাজার হাসপাতালে নেওয়ার পথেই উখিয়া অতিক্রম করলে সে মারা যায়। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সুত্র জানায়, তারা পরস্পর চাচাত-জেঠাতো ভাই। কিছু কুচক্রীমহল তাদের বসত-ভিটার জমির কাগজ জালিয়াতি করে সংঘাত সৃষ্টি করে। তা নিয়ে মারামারী ও মামলা চলে আসছে। এরই জেরধরে একে অপরের উপর হামলা এবং পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে আসছে। নুর হোছনের পুত্র আবছার উদ্দিন গংয়ের অপকর্মে বাঁধা হয়ে দাড়ায় এই আব্দুল নবী। তাই আব্দুল নবীকে খুন করে তার পরিবারকে এলাকা ছাড়া করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়। তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাসহ প্রকৃত ঘাতক আবছারকে দ্রæত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছে এলাকার সচেতনমহল। ###
