হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে কোস্টগার্ড ও বিজিবির পৃথক অভিযানে পরিত্যক্ত এবং ভাসমান অবস্থায় চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া ২কেজি আইস ও ৩০হাজার উদ্ধার করেছে।
সুত্র জানায়, ২৪ নভেম্বর (বুধবার) ভোররাত পৌনে ৪টারদিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ-পূর্বজোনের বিসিজি স্টেশন টেকনাফ স্টেশন কমান্ডার লেঃ কমান্ডার এম,নাঈম উল হকের নেতৃত্বে নাফনদীতে টহল দেওয়ার সময় পাশাপাশি দুটি বোটের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে কোস্টগার্ড সদস্যগণ বোট দুটিকে থামার জন্য সংকেত দেয়। বোট দুটি কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করলে কোস্টগার্ড সদস্যগণ বোট দুটিকে ধাওয়া করে। এসময় পাচারকারীদল ১টি প্লাস্টিকের বস্তা বোট থেকে সমুদ্রে ফেলে দিয়ে মায়ানমার সীমান্তের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বস্তাটি তল্লাশি করে ৩কোটি টাকার ১ কেজি ক্রিস্টাল মেথ, ৩০হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।
এই ব্যাপারে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেঃ (বিএন) খন্দকার মুনিফ তকি জানান,জব্দকৃত আইন ও ইয়াবা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অপরদিকে, গত ২৩নভেম্বর রাত ১১টারদিকে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের লেদা বিওপির বিশেষ টহল দল মিয়ানমার হতে বড় ধরনের মাদকের চালান পাচারের সংবাদ পেয়ে হ্নীলা আলীখালী সোলার পাওয়ার প্লান্টের দক্ষিণ পাশে কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে লবণের মাঠে কৌশলী অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর ২-৩জন দুস্কৃতকারী ১টি সাদা রংয়ের বস্তা নিয়ে সামনে আসতে দেখে দাড়ানোর জন্য চ্যালেঞ্জ করে বিজিবি টহল দল সামনে অগ্রসর হতে থাকে। দুস্কৃতকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে বস্তাটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে বস্তাটি উদ্ধার করে ৫ কোটি টাকা মূল্যমানের এক কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস পাওয়া যায়।
টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (বিজিবিএম,পিএসসি) জানান,জব্দকৃত আইস পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা,চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি,গণ্যমান্য ব্যক্তি ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে প্রকাশ্যে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। ###
