সাদ্দাম হোসাইন : টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ে দুই ব্রিকফিল্ড ২২শে নভেম্বরের মধ্যে ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশনা জারী করা রুলের আলোকে প্রশাসনের দফায় দফায় অভিযান চলছে। উক্ত এলাকায় বেশ কয়েকটি ব্রিকফিল্ড থাকলেও এই দুইটি ব্রিকফিল্ড নিয়ে এই ধরনের ঘটনায় খোদ মালিক পক্ষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছে।
২১নভেম্বর (রবিবার) বিকাল ৩টারদিকে কক্সবাজার জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আরফাতের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল টেকনাফের হোয়াইক্রং দৈংগ্যাকাটা এলাকায় অভিযানে যায়। এসময় এমকেবি ব্রিকসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এএইচবি ব্রিকফিল্ডকে ৫০হাজার টাকা মোট ৭০হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। এরপর এই ব্রিকফিল্ড ২টির আঙ্গিনায় থাকা ইট গুড়িয়ে দিয়ে ইট পুড়ানোর চুল্লি ভেঙ্গে দেওয়া হয়। আইনী জটিলতা এবং যন্ত্রপাতির অভাবে চিমনী ২টি ভাঙ্গতে পারেনি।
গতকাল ২০ নভেম্বর (শনিবার) দুপুরে টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ এরফানুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ টিম, ফায়ার ব্রিগেড ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য এই দুই ব্রিকফিল্ডে অভিযানে যায়। একপক্ষ এই অভিযান নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে রহস্যের গন্ধ খুঁজতে থাকে। অপরদিকে ২২নভেম্বর মধ্যে এই ব্রিকফিল্ড দুইটি ভাঙ্গার জন্য হাইকোর্টের জারী করা রুল নিয়ে বেকায়দায় পড়ে যায় স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় সুত্রে জানায়, মুলত স্থানীয় নির্বাচন এবং প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র ব্রিকফিল্ড মালিক এবং সাবেক এক জন প্রতিনিধির মধ্যে বিরোধের সুত্রধরে এলাকাবাসীর নাম ভাঙ্গিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল হাইকোর্টে আবেদন করেন। উক্ত এলাকায় নিয়ম বহিঃভূতভাবে আরো কয়েকটি ব্রিকফিল্ড রয়েছে। কিন্তু এসব ব্রিকফিল্ডের বিরুদ্ধে কোন ধরনের আপত্তি না থাকার রহস্য কি বলে বিভিন্ন স্তরে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এই বিষয়ে ব্রিকফিল্ড মালিক আবুল হাশেম মেম্বার ক্ষোভের সুরে জানান,এই এলাকায় এই ধরনের ব্রিকফিল্ড আরো কয়েকটি রয়েছে। এই আইন তাদের বেলায় প্রয়োগ হয়না অথচ ্আমাদের বেলায় প্রয়োগ হচ্ছে ; কিছুই বুঝতে পারছিনা। ###
