টেকনাফ টুডে ডেস্ক : গতকাল শুক্রবার রাতে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই আগে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাড় করে। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রানের বেশি করতে পারেনি সাকিবদের কলকাতা। ২৭ রানের জয়ে আইপিএলের চতুর্থ শিরোপা ঘরে তোলে চেন্নাই। আর তৃতীয় শিরোপা জয় থেকে বঞ্চিত হয় কলকাতা।
৭ বছর পর শিরোপা জেতার জন্য কলকাতার প্রয়োজন ছিল ১৯৩ রান। বরাবরের মতো আজও কলকাতার উদ্বোধনী জুটিতে ভালো করেন শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। তারা দুজন ১০.৪ ওভারেই তুলে ফেলেন ৯১।
এরপর ছন্দপতন ঘটে কেকেআরের। ১০.৪ ওভারে বিনা উইকেটে ৯১ রান থেকে থেকে ১৬.৩ ওভারে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১২৫! এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি কলকাতা। দাঁড়ানো সম্ভবও হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তারা করতে পারে ১৬৫ রান। হার মানে ২৭ রানে। ২০১২ সালে নাইটদের কাছে ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিয়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল জিতে নেয় শিরোপা।
ব্যাট হাতে কলকাতার গিল ৪৩ বলে ৬ চারে ৫১ রান করেন। আয়ার ৩২ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। এ ছাড়া লোকি ফার্গুসন অপরাজিত ১৮ ও শিভাম মাভি করেন ২০ রান। বাকিরা ছিলেন ব্যর্থ। তাদের রান ছিল— নিতিশ রানা ০, সুনীল নারিন ২, ইয়ার মরগান ৪, দিনেশ কার্তিক ৯, সাকিব আল হাসান ০, রাহুল ত্রিপাঠী ২ ও বরুণ চক্রবর্তী ০*।
বল হাতে চেন্নাইর শার্দুল ঠাকুর ৪ ওভারে ৩৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট নেন। রবীন্দ্র জাদেজা ও জশ হ্যাজলউড নেন ২টি করে উইকেট। ডোয়াইন ব্রাভো ও দীপক চাহার পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা চেন্নাই দারুণ সূচনা করে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ফাপ ডু প্লেসিসের ব্যাটে ভর করে ৮ ওভারেই তুলে ফেলে ৬১ রান। এরপর গায়কোয়াড় ২৭ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৩২ রান করে সুনীল নারিনের বলে আউট হন। তিনি ফিরে যাওয়ার পর আরও মারমুখী হয়ে ওঠেন ডু প্লেসিস ও রবীন উথাপ্পা। তারা দুজন মাত্র ৩২ বলে তোলেন ৬৩ রান। এরপর দলীয় ১২৪ রানের মাথায় উথাপ্পাকে ফেরান নারিন। উথাপ্পা ২০৬.৬৬ স্ট্রাইক রেটে মাত্র ১৫ বলে ৩ ছক্কায় ৩১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে যান।
তৃতীয় উইকেটে মঈন আলীকে সঙ্গে নিয়ে ৩৯ বলে ফাপ ডু প্লেসিস তোলেন আরও ৬৮ রান। কিন্তু ইনিংসের শেষ বলে তিনি শিভাম মাভির বলে আউট হন। কিন্তু কাজের কাজটা এর আগেই সেরে ফেলেন। ৫৯ বলে ৭টি চার ও ৩ ছক্কায় তিনি ৮৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে যান। আর মঈন আলী ২০ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
