প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে সৈয়দ হোসেনের প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

গত ৭ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের নিউজ পোর্টালে টেকনাফ পৌরসভার হিসাব রক্ষক সৈয়দ হোসেন সাত বছরে শত কোটি টাকার মালিক শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে ঘৃণ্য মাদকের সাথে জড়িয়ে আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করা হয়েছে। উক্ত সংবাদটি মোটেও সত্য নয়, যা উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচিছ। মূলত পারিবারিক জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ী, ১০ একর জমি এবং শহরে ফ্ল্যাটের মালিক সাজানো হয়েছে। জমির বিরাধকে কেন্দ্র করে তা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন। আমি আঠার বছর ধরে সততা ও সুনামের সঙ্গে পৌরসভার হিসাব রক্ষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। তাছাড়া আমার স্ত্রীও একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসাবে সরকারী চাকরিজীবি।

মূল কথা হল, ২০০৫ সালে টেকনাফ হোয়াইক্যং নয়াবাজার ষ্টেশনে কয়েকটি দোকান নিয়ে একটি সেমি পাকা মার্কেট করা হয়। এই মার্কেটের একটি দোকান নিয়ে ভাই নুরুল হোসনের সাথে কিছু দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিচার শালিসও হয়েছে। এমনকি থানা পুলিশের কাছেও অভিযোগ রয়েছে। সব বিচারে রায় আমার পক্ষে আসে। তবে রায় পক্ষে আসলেও আমার পিছনে ষড়যন্ত্রে লেগে আছে। তারই অংশ হিসেবে এই দোকানের বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে ওই চক্রটি সংবাদকর্মীদের ভূল তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। প্রকৃত পক্ষে আমি এবং আমার স্ত্রী সরকারি চাকুরিজীবি। দীর্ঘ ২৫ বছর চাকুরি এবং পৈত্রিকভাবে যা সম্পদ অর্জন করেছি। আমি মাদককে ঘৃণা করি। মাদকের সাথে সম্পৃক্ত থাকার প্রশ্নও আসেনা। এমনকি আমি হোয়াইক্যং ৭নং ওর্য়াডে মাদক নিমূল কমিটির সভাপতি হই। আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ তা ষড়যন্ত্র ছাড়া অন্য কিছু নয়। উদ্দেশ্যমূলক প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জানাচিছ। পাশাপাশি জাতির বিবেক সংবাদকর্মীদের এ ধরনের উদ্দেশ্যমূলক ও মিথ্যা সংবাদ থেকে বিরত থাকারও অনুরোধ করছি। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, যদি মাদক এর সাথে জড়িত থাকার প্রমান দিতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব এবং প্রচলিত আইনে যে শাস্তি দেওয়া হবে তা মাথা পেতে নেব। অহেতুক মিথ্যা অপবাদ দিয়ে লাভ নেই। ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।

উক্ত সংবাদে জমিতে প্রতারনার মাধ্যমে একাধিক খতিয়ান সৃজনের কথা বলা হয়েছে তা আমার ক্রয়কৃত জমি। উক্ত জমির খতিয়ান সৃজন করা হয়। আমি দূর্নীতিবাজ নয়। ২০১৬ সালে চাচা আব্দু শুক্কুরের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি। এখানে প্রতারণার প্রশ্নই আসেনা। ক্রয় করার পর উক্ত জমিতে সেমিপাকা দোকান করা হয়েছে। প্রতারণার শিকার চাচা আব্দু শুক্কুরের যে বক্তব্য ছাপানো হয়েছে তা মোটেও সত্য নয়। চাচা কাউকে আমার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেননি বলে জানিয়েছেন। এমনকি চাচার কাছ থেকে ক্রয়কৃত জমির দলিলের স্বাক্ষী হল ভাই নূর হোসেন। আমার চাচার ছাপানো বক্তব্যটি একটি সাজানো নাটক। আমি উক্ত বিষয়টি যাচাই-বাচাই করে সত্য ঘটনাটি উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে বিনিত অনুরোধ জানাচিছ।

প্রতিবাদকারী :

মোঃ সৈয়দ হোসেন
পিতা-মৃত হাজি সোলেমান
সাং-মধ্যম হ্নীলা, নয়াবাজার, টেকনাফ।