হুমায়ূন রশিদ / ফরিদুল আলম : টেকনাফ সীমান্তে ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা গত সাড়ে ৭ মাসে জল ও স্থলে অভিযান চালিয়ে ৩২লাখ ৮৬হাজার ৪০পিস ইয়াবাসহ ১৩২জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে। বিভিন্ন পয়েন্টে মাদকের চালান অনুপ্রবেশ এবং খালাসের সময় বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় ১৩জন রোহিঙ্গা নাগরিক নিহত হয়েছে।
সুত্র জানায়, চলতি ২০২০সালের জানুয়ারী হতে চলতি মাসের ২০ আগষ্ট পর্যন্ত টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ হয়ে সাগর উপকূলীয় এলাকা এবং পালংখালী পর্যন্ত নাফনদীর উপকূলীয় এলাকায় টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর ও বিভিন্ন বিওপি ক্যাম্পে দায়িত্বরত জওয়ানেরা টহল দান কালে মিয়ানমার হতে বিভিন্ন কৌশলে মাদকের চালান নিয়ে অনুপ্রবেশের সময় গত জানুয়ারী মাসে ৬লাখ ৩৮হাজার ৫শ ৮৮পিস ইয়াবাসহ ২৩জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করে। এই মাসেই বন্দুক যুদ্ধে ২ রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়।
ফেব্রুয়ারী মাসে ৩লাখ ১৪হাজার ৬শ ৭৭পিস ইয়াবাসহ ১৪জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়। এই মাসে বন্দুক যুদ্ধে কোন মাদক কারবারী নিহতের ঘটনা ঘটেনি।
মার্চ মাসে ৮লাখ ২১হাজার ৭শ ৬৯পিস ইয়াবাসহ ৩৮জনকে আটক করা হয়। এই বন্দুক যুদ্ধে ৪জন রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়।
এপ্রিল মাসে ২লাখ ২০হাজার ইয়াবাসহ ২জনকে আটক করা হয় এবং বন্দুক যুদ্ধে ১জন রোহিঙ্গা মাদক কারবারী নিহত হয়েছে।
মে মাসে ৩লাখ ৪০হাজার ৬শ ২৩পিস ইয়াবাসহ ৬জনকে আটক করা হয় এবং একই মাসে ১জন বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়।
জুন মাসে ৭৫হাজার ৬শ ১৬পিস ইয়াবাসহ ১৪জনকে আটক করা হলেও বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটেনি।
জুলাই মাসে ৪লাখ ৮৯হাজার ৯শ ৭৬পিস ইয়াবাসহ ২৫জন আটক হয় এবং বন্দুক যুদ্ধে ৫জন নিহত হয়।
চলতি ২০আগষ্ট পর্যন্ত ৪লাখ ২হাজার ৭শ ৯১পিস ইয়াবাসহ ১০জনকে আটক করা হয়।
উপরোক্ত বিষয়ে টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) জানান,সীমান্তে মাদক অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান দমনে বিজিবি জওয়ানেরা সদা প্রস্তুত রয়েছে। আমরা আশাকরি মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবির সাফল্য গাথাঁ অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্সনীতি অর্জনে সফল হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ###
