নিজস্ব প্রতিনিধি : কক্সবাজারের রামু এবং চকরিয়ায় পৃথক দুটি হাতির মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) রামুর গোয়ালিয়া পালং এবং চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের দূর্ঘম পান্ডাছড়ি পাহাড়ী এলাকায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগের মতে দূর্ঘটনাজনিত কারনে হাতি দুটোর মৃত্যু ঘটে থাকতে পারে।
শনিবার সকালে রামু উপজেলার খুনিয়া পালং ইউনিয়নের গোয়ালিয়া পাহাড়ী ছড়ার পাশে একটি বয়স্ক হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বন বিভাগের কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন ঘটনাস্থল উপস্থিত হয়ে হাতিটি মাটি চাপা দিয়েছেন।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, মৃত এই হাতিটির অনেক বয়স হয়েছে বলে মনে হয়েছে। ডুলহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বিশেষজ্ঞ সার্জনের নেতৃত্বে হাতির সুরতহাল রিপোর্ট তৈরীর পর দাঁত গুলো সংগ্রহ করা হয় এবং হাতিটি ওই স্থানে গর্ত করে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে। হাতির পেট ফুলে দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। তাই দ্রæত পুঁতে ফেলা হয়েছে। দাঁত গুলো উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মতো স্থানে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
প্রাথমিকভাবে হাতিটি পাহাড় থেকে পড়ে ও অসুস্থ হয়ে মারা যেতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এদিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীর দুর্গম এলাকা পান্ডাছড়ির পাহাড়ী ঢালুতে অপর একটি বন্যহাতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে ঘটনাস্থল থেকে মৃত হাতিটি উদ্ধারপূর্বক সুরতহাল রিপোর্ট করে হাতিটি মাঠি চাপা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জ অফিসার সৈয়দ আবু জাকারিয়া জানান, খুটাখালী বনবিটের আওতাভুক্ত এলাকায় একটি বন্যহাতি মারা গেছে সংবাদ পেয়ে বিট কর্মকর্তা রেজাউল করিমসহ ঘটনাস্থলে যান। হাতিটি উদ্ধারপূর্বক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।
চকরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সুপন নন্দী জানান, আনুমানিক ১০-১২ বছর বয়সী হাতিটির গায়ে কোন গুলি বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ধারনা করা হচ্ছে বন্যহাতিটি হয়তো পাহাড়ের ঢালুতে পানি পান করতে এসে মারা গেছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত তিন মাস আগে কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি এলাকায় একটি মা হাতির মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
