চকরিয়ায় মিড-ডে মিল কর্মসুচিতে টিফিন বক্স ও বিশুদ্ধ পানির বোতল বিতরণ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

এম.জিয়াবুল হক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশনার আলোকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রাণালয়ের উদ্যোগে মিড ডে মিল কর্মসুচির আওতায় চকরিয়া উপজেলার দক্ষিণ বরইতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৭০জন শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামুল্যে টিফিন বক্স ও বিশুদ্ধ পানির বোতল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এসব শিক্ষার্থীদের মাঝে টিফিন বক্স ও বিশুদ্ধ পানির বোতল তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার। জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলের বরাদ্দে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এরআগে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিক্ষার সার্বিক গুনগত মান নিয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামুলক পরামর্শ প্রদান করেন।
এসময় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল আমিন, সহকারী শিক্ষক হারুন-অর রশীদ, সালাহ উদ্দিন আহামদ, আব্দুল আওয়াল, শামিম আরা বেগম, আব্দুর রহিম, ফরিদুল আলম, মালেকা বেগম ও সুরভী খানম ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাখাতের অগ্রগতি উন্নয়নে নানামুখী প্রদক্ষেপ নিয়েছেন। সরকারের পরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে মেধাবী ও দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে তৈরী করতে নিরলশভাবে কাজ করছেন সরকার। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে দেয়া হচ্ছে বিনাবেতনে লেখাপড়ার সুযোগ। শিক্ষার্থীরা পাচ্ছেন উপবৃত্তির সুবিধা।
পাশাপাশি প্রতিটি বিদ্যালয়কে উন্নয়নের মাধ্যমে ঢেলে সাজাচ্ছেন সরকার। এইজন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে বরাদ্দ দিচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ। যেসব বিদ্যালয়ে অবকাঠামোগত সংকট আছে সেখানে নতুন ভবন দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গুলশান আক্তার বলেছেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার মান্নোয়ন নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে রিডিং জানতে হবে। ইংরেজী বিষয়ে পারদর্শী করে তুলতে হবে। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রত্যেক সপ্তাহে সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, আবৃত্তি, খেলাধুলা, কুইজ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা ও খোলা মাঠে ফুল-ফলের বাগান সৃজন করতে হবে। এখন থেকে চকরিয়ার প্রতিটি বিদ্যালয়ে আঞ্চলিক ভাষার প্রচলণ বন্ধ করতে হবে। ক্লাস থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের প্রতিটি কাজের সময় শিক্ষকরা শুদ্ধ বাংলা ভাষা উচ্চারণ করবে শিক্ষার্থীদের সাথে। ক্লাস থেকে সবক্ষেত্রে শুদ্ধ বাংলা ভাষা চর্চা নিশ্চিত করতে হবে। কোনভাবেই আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা যাবেনা। বিষয়টি সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।