নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে প্রকাশ্যে রোহিঙ্গা দূর্বৃত্তদের গুলিতে হাশেম ডাকাতের মৃত্যু

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে নয়াপাড়া ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র গ্রæপের প্রকাশ্যে গুলিতে হাশেম ডাকাত নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছে।

জানা যায়, ৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টারদিকে উপজেলার নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত বাকেরের পুত্র মাহমুদুল হাসান, সি-ব্লকের আব্দুল হালিম প্রকাশ শনহলা হাজীর পুত্র জকির আহমদ ও মোচনী গ্রামে অবস্থানকারী মোহাম্মদ আমিনের পুত্র কালা সেলিমের নেতৃত্বে পার্শ্ববর্তী পাহাড় হতে উগ্রপন্থী সংগঠনের পোশাক পরিহিত এবং মুখোশধারী ১০/১২জনের স্বশস্ত্র একটি গ্রুপ নেমে নয়াপাড়া ক্যাম্পের এইচ ব্লকে গিয়ে পীর মোহাম্মদের পুত্র ও কথিত শিশু অপহরণের হোতা হাশেম (৩৫) কে বাড়ি থেকে বের করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে বীরদর্পে পাহাড়ের দিকে চলে যায় বলে সাধারণ রোহিঙ্গাদের দাবী। তাৎক্ষণিক উপস্থিত স্বজন ও রোহিঙ্গারা একটি ভ্যানে করে গুলিবিদ্ধ হাশেমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ক্যাম্প হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল সোয়া ১১টায় তাকে মৃত ঘোষণার পর মৃতদেহটি উদ্ধার করে পোস্ট মর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নয়াপাড়া ক্যাম্প পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুস সালাম জানান,নয়াপাড়া ক্যাম্পের এইচ বøক হতে গুলিবিদ্ধ হাশেমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে হাসপাতালে মারা যায়। তার মৃতদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি উদ্ধার হওয়া শিশু কাউছারের স্বজনের দাবী,শিশু অপহরণের অভিযোগে আটক দুই রোহিঙ্গা দূর্বৃত্তদের অপকর্মের মূলনায়ক প্রকাশ্যে দূবৃর্ত্তদের গুলিতে নিহত মোঃ হাশেম বলে জানায়।

ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গা সুত্রে জানা যায়,সম্প্রতি নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারের জেরধরে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা, খুন, ভাড়াটে, মাদকের চালান লুটপাট ও শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ বাণিজ্য নিয়ে মুখোমুখী অবস্থানে রয়েছে। এই ধরনের অপতৎপরতায় প্রাণহানির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি,স্থানীয় পার্শ্ববর্তী জনসাধারণ পর্যন্ত হুমকির মুখে পড়েছে। ক্যাম্পে আইন-শৃংখলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর স্বাভাবিক কার্য্যক্রম চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ##