র‌্যাব-পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান ঢাকাসহ ৯ জেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে আরো ১২ জন সহ নিহত মোট ১১২

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

অনলাইন ডেস্ক :

র‌্যাব-পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে সোমবার রাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত কথিত বন্দুকযুদ্ধে দেশের ৯ জেলায় ১২ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ঢাকা ও যশোরে র‌্যাবের সঙ্গে গোলাগুলিতে দুজন নিহত হয়। পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে কুষ্টিয়া ও কুমিল্লায় দুজন করে এবং ময়মনসিংহ ও ঠাকুরগাঁওয়ে একজন করে প্রাণ হারায়। এ ছাড়া যশোরে দুজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সাতক্ষীরায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে গোলাগুলিতে দুজন নিহত হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। যদিও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তাদের আগেভাগেই ধরে
নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে স্বজনরা।

সারা দেশে গত ৪ মে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাদকবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকে গতকাল পর্যন্ত মোট ১১২ জন নিহত হলো। অভিযান পরিচালনাকারী র‌্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে এসব ঘটনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্য বরাবরের মতো প্রায় একই ধরনের। বলা হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানকালে সন্ত্রাসীদের গুলির মুখে পাল্টা গুলি চালালে গোলাগুলিতে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। নিহত প্রত্যেকে চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের বিরুদ্ধে মাদক ও অন্যান্য অভিযোগে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে।

র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে গতকাল পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার পর্যন্ত মাদকবিরোধী ৭২৪টি অভিযানে মোট ৭৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন হাজার ২২১ জনকে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পহেলা রোজা থেকে ১০ রোজা পর্যন্ত মাদক বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৯ হাজার ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ১৭ লাখ পিস ইয়াবা, দুই হাজার ২৮৬ কেজি গাঁজা, দেশি মদ ৫৫ হাজার লিটার, ২৩ কেজি হেরোইন, ১৬ হাজার বোতল ফেনসিডিল ও এক হাজার ২১০টি বিদেশি বিয়ারের ক্যান।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন বিস্তারিত।

ঢাকা : রাজধানীর দক্ষিণখানে সোমবার মধ্যরাতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সুমন ওরফে খুকু সুমন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, নিহত সুমন মাদক কারবারি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (দক্ষিণখান) মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দক্ষিণখান থানা পুলিশ আশিয়ান সিটি মাঠের সামনে মাদক উদ্ধারে গেলে একদল মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের ওপর অতর্কিত গুলিবর্ষণ করে। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে কয়েকজন পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে সুমনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে এক হাজার পিস ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটার গান ও চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। সুমনের বিরুদ্ধে দক্ষিণখান থানায় মাদকসংক্রান্ত পাঁচটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সুমনের বাবার নাম আকতারুজ্জামান। বাসা দক্ষিণখানের চালাবন এলাকায়। রাজধানীর শীর্ষ মাদক কারবারিদের তালিকায় তার নাম নেই। তবে স্থানীয় পর্যায়ের মাদক কারবারি হিসেবে থানার তালিকাভুক্ত ছিল সে।

কুষ্টিয়া : দৌলতপুরে গতকাল ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মুকাদ্দেস আলী (৪২) ও ফজলুর রহমান ওরফে টাইটেল (৪৮) নামে দুজন নিহত হয়েছে। নিহতরা শীর্ষ মাদক কারবারি দাবি করে পুলিশ বলেছে, ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, একদল মাদক কারবারি বোয়ালিয়া ইউনিয়নের শেহালা মাঠে মাদক বেচাকেনা করছে খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশের টহলদল গতকাল ভোরে অভিযান চালায়। টের পেয়ে মাদক কারবারিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় দুই মাদক কারবারি গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্যও আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, পাঁচ রাউন্ড গুলি ও ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

ওসি শাহ দারা খান জানান, নিহতদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের আটটি করে মামলা রয়েছে। নিহত মুকাদ্দেস আলী উপজেলার সীমান্তসংলগ্ন মুন্সীগঞ্জ গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে এবং ফজলুর রহমান ওরফে টাইটেল প্রাগপুর বাজারের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।

কুমিল্লা : মুরাদনগরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের গুঞ্জর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো— বাখরনগরের বাতেন (৩৪) ও কৈয়ার পাথর এলাকার লিটন ওরফে কানা লিটন (৩৬)।

থানার ওসি এ কে এম মঞ্জুর আলম জানান, নিহতরা মাদক কারবারি ছিল। বাতেনের বিরুদ্ধে আটটি ও লিটনের বিরুদ্ধে সাতটি মাদক মামলা রয়েছে। তিনি জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মুরাদনগর সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকালে বন্দুকযুদ্ধের সময় তিন পুলিশ সদস্যও আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে বাতেন ও লিটনকে আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ৪০০ বোতল ফেনসিডিল, একটি পাইপগান, একটি কার্তুজ ও ছুরি উদ্ধার করা হয়।

চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে গত এক সপ্তাহে কুমিল্লায় এ নিয়ে ১২ জন কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলো।

যশোর : গতকাল ভোরে জেলা শহরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক কারবারি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। তারা হলো শহরের রায়পড়া এলাকার মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে মানিক ও শহরতলির মণ্ডলগাতি গ্রামের আছির। দুজনই মাথায় গুলি বিদ্ধ হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি পিস্তল, গুলি, ৬০০ পিস ইয়াবা ও গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ওসি আজমল হুদা জানান, শহরের রায়পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দুই দল মাদক কারবারির বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে সোমবার রাত ৩টার দিকে সেখানে যায় পুলিশ। এ সময় মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় ১০টির বেশি মামলা রয়েছে।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিউল্লাহ সবুজ জানান, হাসপাতালে আনার আগেই ওই দুই ব্যক্তি মারা যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : আখাউড়ায় জনি মিয়া (৩০) নামে আট মামলার এক আসামির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়েছে। রবিবার গভীর রাতে পৌর এলাকার খালাজোড়া থেকে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহত জনি দেবীদ্বার উপজেলার খাইয়ার গ্রামের ফিরোজ মিয়ার ছেলে। তবে পরিবারসহ তারা দীর্ঘদিন ধরে আখাউড়া পৌর এলাকার রেলওয়ে পূর্ব কলোনির পাশের বাগানবাড়িতে বসবাস করত।

আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার জানান, রাত সোয়া ২টার দিকে থানার অনতিদূরে গোলাগুলির শব্দ শুনে পুলিশ খালাজোড়া এলাকায় গিয়ে রাস্তায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জনিকে পড়ে থাকতে দেখে। তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, কার্তুজ, ছোরা ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ডাকাতির মাল ভাগাভাগি ও মাদক কারবারের বিরোধকে কেন্দ্র সহযোগীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জনি নিহত হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি করে মাদক, ডাকাতির প্রস্তুতি ও চোরাচালানের মামলা রয়েছে।

বরগুনা : র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বরগুনায় ফিরোজ মৃধা নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গতকাল ভোরে বেতাগী উপজেলার কুমড়াখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বেতাগী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাসেম মৃধার ছেলে ফিরোজ। তার বিরুদ্ধে ৯টি মাদকের মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। ঘটনাস্থল থেকে ২৫০ পিস ইয়াবা, গাঁজা, একটি রিভলবার, একটি শ্যুটার গান ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমড়াখালী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায় র‌্যাব-৮-এর পটুয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা। টের পেয়ে ফিরোজ ও তার সহযোগীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষে গোলাগুলির একপর্যায়ে পিছু হটে মাদক কারবারিরা। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে ফিরোজের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব।

সাতক্ষীরা : কলারোয়া থানার পুলিশ আনিছুর রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে। গতকাল ভোরে উপজেলার পিছলাপোল গ্রামের পাকা রাস্তার পাশ থেকে লাশ উদ্ধারের সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

দেয়াড়া ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য আকলিমা খাতুন জানান, আনিছুরকে সোমবার সকালে খোর্দ্দো বাজারের ওপর দিয়ে মোটরসাইকেলে পুলিশ নিয়ে গেছে সেটা তিনি নিজে দেখেছেন।

কলারোয়া থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ জানান, সোমবার দিবাগত রাতে পিছলাপোল গ্রামে বিবদমান দুই গ্রুপের মাদক ভাগাভাগি নিয়ে গোলাগুলির খবর পেলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আনিছুরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে মাদকের ১০টি মামলা রয়েছে। তার বাড়ি উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামে।

এদিকে নিহতের স্ত্রী নাজমা খাতুন বলেন, সোমবার সকালে আনিছুরকে বাড়ি থেকে চোখ বেঁধে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় খোর্দ্দ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক এজাজ মাহমুদ ও তরিকুল ইসলামসহ কয়েকজন পুলিশ। পরে ক্যাম্পে গেলে পুলিশ আনিছুরকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে গেলে ওসি দুই-তিন দিন অপেক্ষা করতে বলেন। বন্দুকযুদ্ধের নামে পুলিশ আনিছুরকে গুলি করে হত্যা করেছে।

ঠাকুরগাঁও : হরিপুরে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হারুন (৪৩) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। তিনি হরিপুর উপজেলার শীতলপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে। পুলিশের দাবি, হারুন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

হরিপুর থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে গতকাল ভোরে থানা পুলিশ শীতলপুর এলাকায় অভিযানকালে হারুনসহ কয়েকজন মাদক কারবারি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে হারুন নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশের দুই সদস্যও আহত হন।

ময়মনসিংহ : ভালুকা উপজেলার চটানপাড়ায় সোমবার রাতে মিজানুর রহমান মিজান নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি কাচিনা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে। পুলিশের দাবি, মাদক কারবারি মিজান বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

ভালুকা মডেল থানা সূত্র জানায়, ঘটনার রাতে জেলা গোয়ন্দো (ডিবি) পুলিশ ও ভালুকা মডেল থানা পুলিশের দুটি টিম মাদকবিরোধী অভিযানে নামে। রাত সোয়া ২টার দিকে টিমের সদস্যরা উপজেলার পাড়াগাঁও চটানপাড়ায় পৌঁছলে টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতকারীরা। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মিজানকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে হেরোইন, ইয়াবা ট্যাবলেট, গুলির খোসা ও রামদা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হন।

ভালুকা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাজহারুল ইসলাম জানান, মিজান শীর্ষ মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ ৯টি মামলা রয়েছে।