: সম্প্রতি স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইনে সেন্টমার্টিনদ্বীপে কোষ্টগার্ড বাহিনী কর্তৃক ইয়াবার চালান জব্দ সংক্রান্ত বিষয়ে একটি সংবাদ আমাদের দৃষ্টি গোছর হয়েছে। এতে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ইউনিয়নের ৫ ও ৯নং ওয়ার্ডের দুই ইউপি সদস্যসহ একই পরিবারের ৫ জনকে ইয়াবা মামলায় পলাতক আসামী হিসাবে বিভিন্ন, তথ্য উপাত্য দিয়ে জড়ানো হয়েছে।
যাহা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য মূলক। যার সত্যের কোন লেশমাত্র নেই।
এ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য যে, টেকনাফ কোষ্টগার্ড বাহিনী সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বে একের পর এক ইয়াবা/মাদক বিরোধী অভিযানে বড় বড় ইয়াবা জব্দ ও আটক করে প্রসংশিত হয়েছিল। দ্বীপবাসী এ প্রশংসনীয় অভিযানের সাধুবাদ জ্ঞাপন করে।
কিন্তু পরবর্তীতে অর্থাৎ গত ১৪ মার্চ/১৮সেন্টমার্টিন দ্বীপে সাগর সৈকতে টেকনাফ কোষ্টগার্ড বাহিনী অভিযানে ১লাখ পিস ইয়াবা পরিত্যাক্ত অবস্থায় জব্দ করে। এতে সেন্টমার্টিনদ্বীপের ৫ ও ৯নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুর রউপ ও আবুবকর সহ একই পরিবারের ইলিয়াছ, সিরাজ, আয়াজ এ পাঁচজনকে কোষ্টগার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার নিজে ইয়াবা মামলার বাদী হয়ে এ ৫ জনকে উক্ত মামলায় পলাতক আসামী হিসাবে দেখানো হয়েছে। যাহা উক্ত মামলার সাথে ওরা কিভাবে জড়িত হলো এবং কারা এ তথ্য সরবরাহ করলো। এ নিয়ে দ্বীপের সচেতন মহলের মধ্যে রীতিমতো প্রশ্নবিদ্ধ।
পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১ লাখ পিস ইয়াবা জব্দ মামলায় যাদেরকে পলাতক আসামী হিসাবে দেখানো হয়েছে, এরা দ্বীপের একটি রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ও অন্যায়ের প্রতিবাদকারী। বিগত ইউপি নির্বাচনে ঐ পরিবারের ২জন ইউপি সদস্য ও আপন ভগ্নিপতি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এটি মেনে নিতে পারছেননা।
ফলে একের পর এক ওরা মিথ্যাচারের আশ্রয় এবং পর্দার অন্তরালে বসে কলকাটি নাড়াচ্ছে। অতএব ওরা ঈর্শান্নিত হয়ে অপপ্রচার চালিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকাচ্ছে।
কাজেই প্রকাশিত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যহার নিন্দা প্রকাশ করেছেন যথাক্রমে, ৯নং ওয়ার্ডের নুরুল হক, আব্দুস সত্তার, আবুল খাইর, নুরুল বশর ও আবুল হোসেন ৫নং ওয়ার্ডের মোঃ ফারুক, মোঃ তৈয়ব, আব্দুর রহীম, নুর হোসেন ও ওসমান গণি।
