এইচ,এম সালামত, উখিয়া :
উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী নতুন বস্তিতে অবস্থানকারী এক রোহিঙ্গা যুবতিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কক্সবাজার নিয়ে ধর্ষনের শিকার হয়েছে। বর্তমানে ধর্ষিতা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। এ নিয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। রোববার রাতে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা গেছে, মিয়ানমারে সেনা এবং রোহিঙ্গা উগ্রবাদীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে গত ২মাস পুর্বে পালিয়ে এসে বালূখালী নতুন বস্তির ডি ব্লকে অবস্থান নেন মংডু কুইরখালী এলাকার আব্দুর রশিদ ও তাঁর পরিবার। সম্প্রতি বালুখালী বানুরখিল এলাকার বাসিন্দা মাহামুদুল হকের ছেলে আব্দুল আজিজ (২৩)এর লোলুপ দৃষ্টি পড়ে আব্দুর রশিদের ষোড়শী যুবতি মেয়ের উপর। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আব্দুল আজিজ তাঁর সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরী করে। যার প্রেক্ষিতে গত রোববার সন্ধ্যায় কৌশলে ওই যুবতীকে বস্তি থেকে বের করে নিয়ে যায় কক্সবাজার একটি হোটেলে। হোটলে রাতভর ধর্ষন করে সোমবার সকালে বালুখালী পানবাজার এনে গাড়ী থেকে নামিয়ে দিয়ে লম্পট আজিজ পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁকে কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে ধর্ষিতা কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে। এ নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে ধর্ষিতার পিতা আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ধর্ষকের পিতা মাহামুদুল হকের ইয়াবা সেন্ডিকেটে একটি অংশ মরিয়া হয়েছে,সম্প্রতি রোহিঙ্গা মেয়ে ধর্ষনে ঘটনা ধামাচাপা দিতে বালুখালীর সাবেক মেম্বার সেলিম জাহাংগীরের নেতৃত্বে একটি বিশাল অংশ লক্ষ টাকার মিশনে নেমেছে,গত কাল সেলিম জাহাংগীর একটি শালিস বৈঠকের মাধ্যমে এই ঘটনা মামলা যাতে না হয় সেই বিষয়ে ধামাচাপা দিততে প্রশাসনকে ম্যানেজ করেছে বলে বৈঠকে বলেছে।ধর্ষিত পিতা অভিয়োগ করে সাংবাদিকদের বলেন যদি মামলা করা হয় অামাদের পরিবারকে বস্তি ছেড়ে চলে যেতে হবে,এবং অামাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মাহামুদুল হক ও তার সিন্ডিকেটের সদস্যরা।এই ব্যাপারে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন মায়ানমার থেকে নির্যাতিত রোহিঙ্গা বালুখালী নতুন বস্তিতে অাশ্রয় নিয়েছে, এইটি একটি দুঃখ ঘটনা,অাবদুল অাজিজ নামে এই ছেলেটি কে গত রমজানের সময় অামি থাইংখালী থেকে মেয়ে সহ ধরে থানায় দিয়েছিলাম,উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, আমি শুনেছি তবে এখনো লিখিত অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল খায়ের জানান, এধরনের ঘটনা শুনেছি, তবে থানায় আসলে মামলা রুজু করা হবে।
