হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শসা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। উপজেলায় ৬২ হেক্টর জমিতে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে মূল্য ভাল পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে।

জানা যায়, চলতি বছরের নভেম্বরের শুরুর দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে ২১ হেক্টর, হ্নীলায় ৭ হেক্টর, টেকনাফ সদর ৮ হেক্টর, সাবরাং ২২ হেক্টর এবং বাহারছড়া ইউনিয়নে ৪ হেক্টর জমিতে শসার চাষ করা হয়েছে। সাবরাং ও টেকনাফ সদর সাগর উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় শসার ফলন ভাল ও দ্রæত চাষ হয়েছে। সাবরাং ডেগিল্লার বিলের বিদেশ ফেরত রশিদ আহমেদ প্রকাশ ধইল্ল্যা চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শুরুর দিকে ৫কানি জমিতে শসার বীজ বপন করে। এক মাস পর চলতি ডিসেম্বরের শুরুতে শসা উত্তোলন করে বাজারে বিক্রি শুরু করেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি শসা ৬০টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলন ভাল হওয়া এবং দাম বেশি পাওয়ায় কৃষক খুবই খুশি। বর্তমানে বাজারে শসার দাম এইভাবে চলতে থাকলে ৩-৪লক্ষ টাকা আয় হবে। ডেগিল্যার বিলের নজির আহমদ জানান,শসার চাষ করে ১কানি জমিতে ১লক্ষ ৩০হাজার টাকা লাভ হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি অফিসার শফিউল আলম কুতুবী নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন ও পরামর্শের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা করেছে। আমরা কৃষি অফিসের সহযোগিতার মাধ্যমে শসা চাষে ভাল ফলন লাভে সফল হয়েছি। হোয়াইক্যং ঊনছিপ্রাং রইক্ষ্যং এলাকার কয়েকজন শসা চাষী ভাল ফলন পাওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন। কম্বনিয়া পাড়ার মোহাম্মদ হোছন জানান,দেড় কানি জমিতে শসার চাষ করেছি। ফলন ভাল হয়েছে। হ্নীলা পশ্চিম পানখালীর আব্দুল জলিল আর আব্দুর রহিম জানান,আমরা দুভাই শসা চাষ ভাল ফল পেয়েছি। মরিচ্যাঘোনার ঠান্ডা মিয়ার পুত্র নবীউল করিম জানান,শসা চাষে ভাল ফলন পেয়েছি। তা শেষ হওয়ার পর আবার নতুন করে শীম চাষাবাদ করছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার জাকিরুল ইসলাম জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় ও সারের প্রাপ্যতা সহজলভ্য হওয়ায় শষার ফলন ভালো হয়েছে। যেকোন কৃষক ফসল চাষাবাদের জন্য পরামর্শ নিয়ে চাষাবাদ করলে লাভবান হবে। যে কোন বিষয়ে উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে পরামর্শ ও সহায়তা নিন। শিক্ষিত বেকার যুবকগন যদি কৃষি উদ্যোক্তা হয়ে এগিয়ে আসে তাহলে নিজে সাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি দেশ ও সমাজ স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবে। ###
