পেকুয়া সদর ইউনিয়নে রাতের আঁধারে সাংবাদিকের বাগানের ফলজ গাছ কেটে সাবাড়

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : পেকুয়ায় গভীর রাতে কেটে সাবাড় করেছে সাংবাদিকের মালিকানাধীন বাগানের অর্ধশতাধিক ফলজ গাছ। একদল দুবৃর্ত্ত ওই সংবাদকর্মীর বাগানে হানা দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক ফলজ বৃক্ষ কেটে সাবাড় করা হয়। ৪ সেপ্টেম্বর (রোববার) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৈরভাঙ্গা ষ্টেশনের উত্তর পার্শ্বে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সুত্র জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামায় চৈরভাঙ্গা ষ্টেশনের উত্তর পার্শ্বে ফসলী জমিতে বাঁধ তৈরী করে ফলজ বাগান সৃজিত হয়েছে। বাগানের মালিক শহিদুল ইসলাম হিরু। তিনি পেকুয়া উপকুলীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি।

দারিদ্র বিমোচন ও আত্মনির্ভরশীলতার জন্য ওই সংবাদ কর্মী ২০১৯ সালের দিকে নিজ মালিকানাধীন ফসলি জমিতে আইল তৈরী করে সেখানে ফলজ বাগান তৈরী করে। জমির পাড়ে সৃজিত বাগানে বর্তমানে বিভিন্ন বৃক্ষে ফলন আসা শুরু হয়েছে। কলা বাগানে প্রচুর ছড়া পড়েছে। এ ছাড়াও পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, আমলকি, আপেলকুলসহ ফলজ বাগানগুলোতে উৎপাদন উপযোগী হয়েছে। এ দিকে ঘটনার দিন গভীর রাতে একদল চিহ্নিত দুবৃর্ত্তরা পেকুয়ার কর্মরত সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম হিরুর বাগানে অনুপ্রবেশ করে। এ সময় তারা সেখানে ঢুকে ব্যাপক তান্ডবসহ শত্রæতামি করে। এ ব্যাপারে বাগানটির মালিক সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম হিরু বলেন, একদল অস্ত্রধারী আমার বাগানে গিয়ে তান্ডব চালায়। সদরের চৈরভাঙ্গার বাদশাহ মিয়ার পুত্র রমিজ উদ্দিনের নেতৃত্বে তার অনুগত লোকজন এমন কান্ড করেছে। মানুষের সাথে শত্রæতা থাকতে পারে। কিন্তু বৃক্ষগুলিতেও কারো দোষ করেনি। মানুষ কত নিষ্টুর হলে এমন কান্ড করতে পারে। এর বাস্তব প্রতিফলন আমার ভিটায়।
সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম হিরু বলেন, আমি অস্ত্রধারীদের ভয়ে চলাফেরাও করতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এ ঘটনার সাথে জড়িতেদের বিরুদ্ধে আইনের ফৌজধারী প্রয়োগসহ এদেরকে গ্রেপ্তারের দাবী করছি। বিষয়টি আমি পেকুয়া সদর ইউপির চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছি। এ জমি আমার দালিলিক জায়গা। মেহেরনামা মৌজার খতিয়ান নং ২০৬৫। জমির পরিমাণ ৫০ শতক। ##