রফিক মাহমুদ, উখিয়া :
কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির সদস্যরা মরিচ্যা যৌথ চেকপোষ্টে একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবা উদ্ধার করেছে। গতকাল ১৫ মে সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের মরিচ্যা যৌথ বাহীনির চেকপোষ্টে বিজিবি সদস্যরা টেকনাফ থেকে আসা কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান তল্লাশী চালিয়ে গাড়ির ব্যাক লাইটের ভেতর অতিকৌশলে লুকানো অবস্থায় ৪৭ হাজার ২,শ ৮০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে। এ সময় বিজিবির সদস্যরা কাউকে আটক করতে পারেনি।
তবে ইয়াবা বহনের অভিযোগে স্পেশাল সাভির্স বাসিটি জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকা বলে বিজিবি জানিয়েছেন। জব্দকৃত স্পেশাল সার্ভিস যাত্রীবাহী বাস ( কক্সবাজার থ-১১-০১৯৫) বালুখালী শুল্ক কার্যালয়ে জমা এবং ইয়াবা ট্যাবলেট গুলো বিজিবি”র ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রেখে পরবর্তী পর্ষদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন সিমান্তে চোরাচালান বন্ধের জন্য বিজিবি সহ আইন শৃঙ্খলা বাহীনির সদস্যরা সর্তক রয়েছে।
অনুসন্ধান চালিয়ে জানা গেছে, বাসের চালক ছিল মরিচ্যা হলদিয়া পালং এলাকার শাহাবুদ্দিন। আর বাসের মালিক টেকনাফের নয়াপাড়া এলাকার। তবে তার নাম জানা যায়নি। কক্সবাজারের মাবুদ কোম্পানী নামে এক ব্যক্তি বাসটি দেখাশুনা করতেন বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস গুলোর গোপন কুটরীতে (যা স্থানীয় ভাষায় যোগান নামে পরিচিত) করে ইয়াবা পাচার করে অনেক বাস চালক-হেলপার বর্তমানে কোটিপতিতে পরিনত হয়েছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান বেশ কিছু ইয়াবা ব্যবসায়ী বর্তমানে টেকনাফ কক্সবাজার সড়কে স্পেশাল সার্ভিস পরিবহনে বাসের মালিক। মূলত সেইসব ইয়াবা ব্যবসায়ীরা তাদের যানবাহন গুলোতে যোগান তৈরী করে দীর্ঘদিন ধরে নীরবে গোপনে ইয়াবা পরিবহন করে আসছে।
এইসব বাস মালিক চালক ও হেলপারদের চিহ্নিত করে তালিকাভ’ক্তির মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা দরকার বলে মনে করছেন ইয়াবা বিরুধী সচেতন মহল।
