নিজস্ব প্রতিবেদক : অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চকরিয়া-পেকুয়া (কক্সবাজার-১) আসনের জননেত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামীলীগ (মহাজোট) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জাফর আলম গতকাল বৃহস্পতিবার ১৩ ডিসেম্বর দিনব্যাপী চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নৌকার সমর্থনে ব্যাপক গনসংযোগ করেছেন। এদিন তিনি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা, কৈয়ারবিল, হারবাং ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। একই সময়ে তিনি বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নৌকার পক্ষে প্রচারনা করেছেন। দিনব্যাপী গনসংযোগকালে প্রতিটি জনপদে জনগনের ব্যাপক উপস্থিত ঘটে। ওইসময় এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ বর্তমান সরকারের চলমান উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার পক্ষে অবিচল থাকার ঘোষনা দেন। গনসংযোগকালে তিনি একাধিক উঠান বৈঠকে নৌকার পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সাধারণ জনগন ছাড়াও আওয়ামীলীগ এবং সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহন করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চকরিয়া পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কর্মী সভায় অংশ নেন। ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মাস্টার কবির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন মেম্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি প্রার্থী আলহাজ জাফর আলম।
আওয়ামীলীগের কর্মীসভায় সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ জাফর আলম বলেছেন, বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই বাংলাদেশের অগ্রগতি পেছনে ধাবিত হয়েছে। তাদের নেতাকর্মীরা উন্নয়নে বদলে দেশের টাকা লুটপাট করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক জিয়া দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে সম্পদের পাহাড় করেছে। বিএনপি নেত্রী খালেদা এতিমের টাকা লুট করে কারাগারে। বিএনপি জোট আমলে চকরিয়া-পেকুয়া জনপদে উন্নয়নের নামে বরাদ্দের সিংহভাগ টাকা লুটপাট করেছে। জনগনের ভাগ্য উন্নয়নের পরিবর্তে তাদের নেতাকর্মীরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে বেশি। লুটের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীরা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। অনেকে স্বপ্নের বসতি বানিয়েছে। বিগত ১০বছরে বিএনপি এখানে কিছুই করেনি। বিএনপির প্রার্থী ভোট নিয়ে জনগনের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। একদিনের জন্যও জনগনের খবর নেয়নি। এখন তাঁরা নির্বাচনের মাঠে নেমে ভোট আদায়ের জন্য চকরিয়া-পেকুয়ার সহজ সরল মানুষকে উন্নয়নের মিথ্যা বিভ্রান্তি দিচ্ছে।
নৌকার প্রার্থী জাফর আলম অভিযোগ করেছেন, সংখ্যালঘু নির্যাতন, আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীকে হত্যা, দেশের সম্পদ লুটপাট ও অপশাসনের কারনে সারাদেশের মতো চকরিয়া-পেকুয়া আসনেও বিএনপি জনপ্রিয়তা হারিয়েছে। এখন তাদের নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগে যোগ দিচ্ছে। ফলে দিশেহারা হয়ে এখন বিএনপি প্রার্থী ও তাদের কিছু লোক নির্বাচনী মাঠে সুবিধা আদায় করতে চকরিয়া-পেকুয়ায় গুজব ছড়িয়ে সাজানো নাটক দেখিয়ে নৌকার জেগে উঠা গণজোয়ার ঠেকানোর অপচেষ্ঠা করছে। তারা যতই এ ধরণের নাটক তৈরী করুক চকরিয়া-পেকুয়ার সচেতন জনসাধারণ এসব এখন বুঝে। বিএনপির ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের নাটক চকরিয়া-পেকুয়াাবাসি দেখবেনা। উন্নয়নের প্রয়োজনে তাঁরা এবার জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
আওয়ামীলীগের প্রার্থী আলহাজ জাফর আলম বলেছেন,দেশের অগ্রগতি ও জনগনের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার মতো সৎ দক্ষ ও বিচক্ষন নেতৃত্বের বিকল্প নেই। বর্তমানে শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশে^র সামনে উন্নতশীল দেশের কাতারে। ধারাবাহিক উন্নয়নের কারনে চকরিয়া-পেকুয়া আসনে নৌকার পক্ষে জনগনের মাঝে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দেশের চলমান অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আওয়ামীলীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের মাধ্যমে চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলাকে সাজাতে আবারও দরকার শেখ হাসিনার সফল সরকার।
গতকাল নৌকার সমর্থনে আওয়ামীলীগের কর্মী সভা গনসংযোগে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আমিনুর রশিদ দুলাল, চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, মাতামুহুরী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পশ্চিম বড় ভেওলা ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বাবলা, সাধারণ সম্পাদক ও সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল, সিনিয়র সহ-সভাপতি এসএম জাহাংগীর আলম বুলবুল, সহ-সভাপতি মকছুদুল হক ছুট্টু, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটু, সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী, কচিরিঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ জসীম উদ্দিন, পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা রফিক আহমদ বিএ, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোক্তার আহমদ চৌধুরী, এমআর চৌধুরী, সহসভাপতি ফজলুল করিম সাঈদী, ছৈয়দ আলম কমিশনার, যুগ্ম সম্পাদক জামাল উদ্দিন জয়নাল, যুগ্ম সম্পাদক চেয়ারম্যান আজিমুল হক আজিম, শাহনেওয়াজ তালুকদার, চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, শওকত ওসমান চেয়ারম্যান, সাংবাদিক মিজবাউল হক, আওয়ামীলীগ নেতা আমিনুল করিম, পরিমল বড়–য়া, কৈয়ারবিল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফিরোজ আহমদ চৌধুরী, চেয়ারম্যান মক্কী ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান হানু, হারবাং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ, মেম্বার আবদুস সাত্তার, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল করিম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক খম বুলেট, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আজিম, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো.ওয়ালিদ মিল্টন, তপন কান্তি দাশ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন মানিক, চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক রতন কুমার সুশীল, ফেরদৌস ওয়াহিদ, সেলিম উদ্দিন লিটন, কাউন্সিলর রেজাউল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুজিবুর রহমান লিটন, নজরুল ইসলাম লিটন, ফরিদুল ইসলাম, আওয়ামীলীগ নেতা মিফতাব উদ্দিন চৌধুরী, পুর্ববড় ভেওলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন মেম্বার, পশ্চিম বড়ভেওলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল, চকরিয়া পৌরসভা কুষকলীগের সভাপতি সুলাল কান্তি সুশীল, আলহাজ নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন আমু, চকরিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কাউছার উদ্দিন কছির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ, উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাইফ উদ্দিন মামুন, চকরিয়া পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি হাসানগীর হোছাইন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম সোহেল, মাতামুহুরী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক খলিল উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ হায়দার আলী, সাবেক সভাপতি শেফায়েতুল কবির চৌধুরী বাপ্পী, সাবেক সম্পাদক সাজিদ হোসেন শাকিব, সাদ্দাম হোসেন মিঠু, লক্ষ্যারচর যুবলীগের সভাপতি সাইকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জুবাইদুল হক মিন্টু, চকরিয়া পৌরসভা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ধুলু, চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ মারুফ, সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ, চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা পারভেজ ও ছাত্রনেতা আবদুল বারেক টিপু প্রমুখ।
