হ্নীলা মৌঃ কেফায়েত উল্লাহ মার্কেট-সৌদিয়া কাউন্টার নিয়ে অপপ্রচারের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ২ years ago

বার্তা পরিবেশক : গত ৬ই ফেব্রুয়ারী হতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের “কক্সবাজারের আলো” নামে একটি পেইজ থেকে “হ্নীলা সৌদিয়া কাউন্টারের তথ্য” নামে একটি ভিডিও ক্লিপ আমার নজরে পড়েছে। উক্ত ভিডিও ক্লিপে জাতীয় দৈনিক কাল বেলার ভূঁয়া লোগো ব্যবহার এবং দুজনের কথোপকথনের কথা বিকৃত করে নিজেদের হীন স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে হেয়পন্ন করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে মানুষের হাসির খোরাকে পরিণত করছে।

আমি উক্ত মার্কেটের স্বত্তাধিকারী হিসেবে আপনারা সকলের অবগতির জন্য জানাতে চাই যে,মরহুম মৌলভী কেফায়েত উল্লাহ সম্পর্কে আমার শ্রদ্ধাভাজন পিতা। উত্তাধিকার সুত্রে আমি এখন মালিক। আমি দুবাই প্রবাসে থাকায় এই মার্কেটের ভালমন্দ দেখার দায়িত্ব আমার দোলা ভাই সোলতান আহমদের উপর অর্পণ করেন। আমি দেশে থাকায় অবস্থায় এলাকার কয়েকজন যুবক মিলে এই মার্কেটের ২য়তলার দুইটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে তাদের অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। প্রথম ৩মাস ভাড়া ঠিকমতো পরিশোধ করেছে। এরই মধ্যে আমি প্রবাসে চলে আসার সময় এই মার্কেট দেখভাল করার দায়িত্ব দোলা ভাইকে দিয়ে আসি। এরই ভেতর ভাড়াটিয়াদের মধ্যে কি মতবিরোধ হয়েছে জানিনা। প্রায় ৩মাস ধরে রুমের ভাড়া বকেয়া করে ফেলে। আমার সাংসারিক প্রয়োজনে নতুন বছর হতে উক্ত ভাড়া বাসার দাম বৃদ্ধি ও বকেয়া আদায়ের জন্য তাদের সাথে মুঠোফোনে বেশ কিছুদিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করে আসলেও ফোন রিসিভ না করায় তাদের অফিস ভাড়া না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য নির্দেশনা দিলে আমার দোলা ভাই বকেয়া আদায়ে তৎপর হয়।

তাদের সাড়া না পেয়ে আমি পরামর্শক্রমে নতুন বছরের শুরুতে পার্শ্ববর্তী সৌদিয়া কাউন্টারের যাত্রীদের প্রশ্রাব-পায়খানার সুবিধার জন্য ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অফিস হিসেবে ব্যবহারকারীরা যোগাযোগ না করায় তাদের ব্যবহৃত উপকরণাদি অফিসে রয়ে যায়। ইতিমধ্যে তাদের ১জন অফিস করবেনা বলে অবহিত করলেও অন্যরা জানাইনি। আপাতত এমতাবস্থায় সৌদিয়া কাউন্টারের যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ উক্ত অফিসের ল্যাট্টিনটি ব্যবহার করছে। এমতাবস্থায় ওখানে অফিসকারীদের এক সদস্য আমার সাথে মুঠোফোনে কথা বলে সৌদিয়া কাউন্টার হ্নীলা শাখার ম্যানেজার আবছার উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাধ করে এই পর্যায়ে এসেছে বলে অনুযোগ করে। তখন আমি জানায়, ভাড়াটে যা করবে করুক তাতে আমার কি আসে যায়। সে ভাড়াটিয়া আর আমি মালিক এভাবে সম্পর্ক থাকবে। এই অডিও ক্লিপকে বিকৃত করে আমার মার্কেটসহ আবছার উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার শুরু করেছে। যা সামাজিকভাবে হেয়পন্ন করার কৌশল বলে আমি মনে করি। আমি এই ধরনের অপপ্রচার করে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
মোহাম্মদ আলমগীর
স্বত্তাধিকারী
মরহুম মৌলভী কেফায়েত উল্লাহ মার্কেট, হ্নীলা, টেকনাফ, কক্সবাজার। ###