মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম / হেলাল উদ্দিন : ব্যাপক কর্মসূচীর মাধ্যমে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজ সেবামুলক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হ্নীলা গুলফরাজ-হাশেম ফাউন্ডেশনের ১৯তম আন্ত:উপজেলা বৃত্তি পরীক্ষায় ৫৯টি স্কুল-মাদ্রাসার ৪শ ১৭জন পরীক্ষার্থীদের অংশ-গ্রহণে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।
১৮ডিসেম্বর সকাল ১০টায় উপজেলার হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৯তম জি.এইচ.এফ বৃত্তি পরীক্ষা ২০১৮ ইং শুরু হয়। এতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি মাদ্রাসায় ১শ ২১জন ও ২৮টি স্কুলের ২শ ২জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৪জন অনুপস্থিত এবং নিম্ম মাধ্যমিক পর্যায়ে ১২টি স্কুলের ১শ ২২জন ও ৬টি মাদ্রায় ২৬জন পরীক্ষার্থীসহ ৪শ ৭১জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫জন পরীক্ষার্থীসহ মোট ৪৯জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। উক্ত পরীক্ষায় হল সুপার হিসেবে মাও: এসএম সাইফুল্লাহ এবং কেন্দ্র সচিব হিসেবে হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম আব্দুস সালাম দায়িত্ব পালন করেন।
এসময় ফাউন্ডেশন সভাপতি সফিক আহমদ বি.কম, ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ জামাল আহমদ, ফাউন্ডেশন পরিচালনা কমিটির সদস্য ও টেকনাফ উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান মাওলানা রফিক উদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ এমদাদ হোসেন চৌধুরী, হ্নীলা হাইস্কুল পরিচালনা কমিটি সভাপতি মাহাবুব মোরশেদ পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন।
এছাড়া ফাউন্ডেশন পরিচালক কামাল আহমদ, সদস্য অধ্যাপক কফিল আহমদ, মিনহাজ উদ্দিন, হাজী আবুল কালাম সওদাগর, মাও: ফরিদ আহমদ, মাও: ক্বারী নুরুল ইসলাম, মাস্টার শাহ আলম, কায়সার উদ্দিন আহমদ, মৌলভী শাকের আহমদ, মমতাজুল ইসলাম মনু, ডাঃ জালাল আহমদ ও আরিফুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৃত্তি পরীক্ষা শেষে চট্টগ্রাম সিএসসিআর হাসপাতালের সৌজন্য উপজেলার প্রতিষ্ঠান প্রধানদের মধ্যে ২০১৯ ইং সালের ক্যালেন্ডার বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, উপজেলার একমাত্র সামাজিক সংগঠন ও দাতব্য চিকিৎসালয় ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর হতে টেকনাফের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবায় নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার পাশাপাশি স্কুল-মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত গরীব-মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষিত যুব সমাজকে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করার লক্ষ্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করা হয়েছে।
