ফরিদুল আলম : হ্নীলা ইউনিয়নের নদী ও সাগরে মাছ শিকারে সরকারী নিষেধাজ্ঞা এবং মাদক চোরাচালান জনিত কারনে বেকার হয়ে পড়া নাফনদী নির্ভর ৬৮৪ জেলে পরিবারের মধ্যে সরকারী অনুদানের চাল বিতরণ করা হয়েছে। অত্র ইউনিয়নে গত ৫বছর আগের করা জেলেদের তালিকার চেয়ে প্রকৃত জেলেদের সংখ্যা অনেক বেশী তাই এই সংখ্যা বাড়ানোর দাবী উঠেছে।

৪ জুন সকাল ১১টায় হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে সরকারী নিষেধাজ্ঞা এবং মাদক চোরাচালান জনিত কারনে বেকার হয়ে পড়া নাফনদী নির্ভর জেলেদের মধ্যে সরকারী অনুদানের চাল বিতরণ অনুষ্ঠান হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টেকনাফ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আব্দুল করিম ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা চিন্ময় বড়ুয়া মানস, হ্নীলা ইউপির ২নং ওয়ার্ড মেম্বার বেলাল উদ্দিন, ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ রফিকুল ইসলাম, ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার হোছাইন আহমদ এবং ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার জামাল হোছাইন।

এতে বক্তারা বলেন, দেশের বেকার, অসহায়, প্রতিবন্ধি, বিধবাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য বর্তমান সরকার জনকল্যানমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। নদী ও সাগরে মৎস্য সম্পদ বাড়াতে সরকার ৬৫দিন মাছধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। তাছাড়া মাদক চোরাচালান জনিত কারনে নাফনদী নির্ভর জেলেরা বেকার হয়ে চরম অসহায়ভাবে দিন-যাপন করছে। হ্নীলা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্থ ৬৮৪টি জেলে পরিবারের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার ৫৬কেজি করে চাল বিতরণ কার্য্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

বিভিন্ন জেলে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, বর্তমানে যে তালিকায় সরকারী অনুদান দেওয়া হচ্ছে প্রকৃত জেলেদের সংখ্যা আরো বেশী। তাই হ্নীলা ইউনিয়নের জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ###
