হ্নীলায় মৎস্যঘেঁর মালিকের উপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবী

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

বার্তাপরিবেশক : হ্নীলায় মাদক চোরাচালান সিন্ডিকেটের অপকর্মে বাঁধা সৃষ্টি হওয়ায় মৎস্যঘেঁর জবর দখলে নিতে গিয়ে ঘেঁর মালিককে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় জড়িতদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছে।
গত ২২অক্টোবর সকালে হ্নীলা মুসলিম পাড়া সংলগ্ন লিজ নিয়ে ভোগ দখলে থাকা মৃত ছিদ্দিক আহমদের পুত্র শামসুল আলম ওরফে দুদু মিয়া মাছ ধরার সময় পানি ছেড়ে দেওয়ার বিষয় নিয়ে তর্ক হয়। এরই সুযোগে স্থানীয় ছিদ্দিক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে তার ভাই আব্দুল আজিজ,লাল মিয়ার পুত্র সাবুল্লা,কালু মিয়ার পুত্র সোলতান,আব্দুল আজিজের পুত্র সবুজ,সিরাজ আহমদের পুত্র জাহেদ উল্লাহ প্রকাশ চোরা কুয়াইল্যা,সোলতান আহমদ প্রকাশ চামড়া বাদশার পুত্র আনোয়ার,বারিক্কার পুত্র সিরাজ, মৃত মনোয়ারের পুত্র সালাহ উদ্দিন,শামসুর পুত্র জাহাঙ্গীর,মীর কাশেমের পুত্র আমির হোসেন,আব্দুল মোনাফের পুত্র আমির হোছাইন,আবুল মঞ্জুরের পুত্র ছালামত উল্লাহ, ছৈয়দ আহমদের পুত্র ফরিদ,উম্মত আলীর পুত্র সোলতান এবং জাফরের পুত্র আব্দুস সালামসহ ৩০/৪০জনের একটি গ্রæপ গিয়ে প্রজেক্ট থেকে উঠে যেতে বলে। এরপর কারণ জানতে চাইলে সবাই মিলে ছুরি,লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে মৎস্যঘেঁরের ২/৩মণ চিংড়ি মাছ ধরে নিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা খবর পেয়ে রক্তাক্ত শামসুল আলমসহ ৩৪জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। শামসুল আলমের অবস্থায় গুরুতর হওয়ায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজার থেকে চমেকে রেফার করা হয়।
এই ব্যাপারে ঘেঁর লীজ নিয়ে ভোগ দখলে থাকা মালিক ও রক্তাক্ত শামসুল আলম জানান, নির্বাচনের পূর্ব থেকে আমার প্রজেক্টের সামনে দিয়ে মাদকের চালান খালঅস হতো। এই জন্য সীমান্ত রক্ষী বিজিবি আমাকে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এরপর থেকে বিজিবির টহল দল মাঝে-মধ্যে আমার প্রজেক্টের বাসায় অবস্থান নেয়। এতে মাদক কারবারীদের সমস্যা হয়। সম্প্রতি ইউপিনির্বাচন শেষে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় মুসলিম পাড়া-আশ্রয়ন প্রকল্প দিয়ে মৃত আব্দুস সালাম প্রকাশ প্রেম বাক্সুর পুত্র হাবিবুল্লাহ ও ছিদ্দিক আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গঠিত হয়েছে। তাদের অপকর্ম সহজ করার জন্য আমার মৎস্যঘেঁর জবর দখলে নিতে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে।
এই ন্যাক্কারজনক হামলা ও মৎস্যঘেঁর জবর দখল চেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ###