হ্নীলায় ব্যবসায়িক পার্টনার কেড়ে নেওয়ায় ইয়াবা কারবারী দুগ্রুপের সংঘর্ষে আহত-২

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলা ছোট লেচুয়াপ্রাংয়ে রমরমা ইয়াবা চোরাকারবার চলছে। এই অপকর্মে এক মাদক কারবারীর ব্যবসায়িক পার্টনার অপর মাদক মাদক সম্রাজ্ঞী কেড়ে নিয়ে মাদক পাচার অব্যাহত রাখায় দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরধরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুইজন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, ৫ নভেম্বর বিকাল ৩টারদিকে উপজেলার হ্নীলা ছোট লেচুয়াপ্রাংয়ের আব্দুস সালাম ওরফে বঙ্গর পুত্র মদ্যপ শফিউল আলম কালু ইয়াবা বিক্রি বাবদ পাওনা টাকা দাবী করে স্থানীয় আমির হোছনের পুত্র সোহেল হতে। সোহেল টাকা পরিশোধ করতে অপারগ হওয়ায় কালুর মারধরে সোহেল আহত হয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর বিকাল ৪টারদিকে আব্দুস সালাম বঙ্গরপুত্র খোরশেদ আলম মদ সেবন করে মাতাল অবস্থায় আসেন। সে শুনে ঢাকার ৪জন লোক সকালে এসে প্রবাসী ইসমাঈলের স্ত্রী রেহেনার নিকট হতে ইয়াবার চালান নিয়ে যায়। যাদের নিকট হতে খোরশেদ বকেয়া পাওনা রয়েছে। তখন তার পাওনা টাকা পরিশোধ না করে ব্যবসায়িক ঢাকাইয়া পার্টনারকে ইয়াবা বিক্রি করায় ক্ষুদ্ধ হয়ে রেহেনাকে কিরিচ নিয়ে মারতে যায়। তখন আবছারের স্ত্রীসহ কয়েকজন লোক খোরশেদকে বাঁধা দেওয়ায় রেহেনাকে মারতে না পেরে ক্ষুদ্ধ হয়ে সবাইকে গালমন্দ করে ফিরে আসার পথে নুরুল ইসলামের পুত্র আবছারের সাথে দেখা হয়। তখন আবছার মা-বোন সবার আছে গালমন্দ না করার জন্য বললে খোরশেদ উত্তেজিত হয়ে আরছারকে মারধর করে। এতে আবছার আহত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়।
দেশের এই চরম দুঃসময়ে ইয়াবা কারবারী গ্রæপসমুহের এই ধরনের কর্মকান্ডে সাধারণ মানুষের মনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এখনো সক্রিয় সকল মাদক কারবারীদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিষয়ে খোরশেদ আলম বলেন, উপরোক্ত অভিযোগ সত্য নয়। এলাকায় ইয়াবা ব্যবসা বন্ধ হয়েছে কিন্তু এই রেহেনা তা অমান্য মাদক বিক্রি করায় বাঁধা দিতে গেলে আমার উপর হামলা করতে আসে।