সাদ্দাম হোসাইন : হ্নীলায় সড়ক দূঘর্টনায় গুরুতর আহত টমটম চালক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার ২দিন ১৪ ঘন্টা ২০মিনিট পর মৃত্যু বরণ করেছে। এই নির্মম পরিণতিতে নাড়িছেঁড়া ৩ সন্তান একই নিয়তিতে হারানো মা-বাবার চোখে অন্ধকার নেমে এসেছে।
জানা যায়,২৬মার্চ ভোররাত পৌনে ১টারদিকে চট্টগ্রাম সিএইচসিআর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টেকনাফের হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মোঃ সোলেমানের ৩য়পুত্র, ২ছেলে-মেয়ের জনক ও টমটম চালক হামিদ হোসেন (৩২) মৃত্যুবরণ করেন। সকালে মৃতদেহ বাড়িতে আনা হয়। বাদে জোহর স্থানীয় গোরস্থানে নামাজে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি মেম্বার জামাল উদ্দিন বলেন, এই অসহায় দরিদ্র পরিবারের প্রতি সকলে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে ভাল হবে।
গত ২৩ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টারদিকে টমটম চালক হামিদ হোছন নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে পণ্য পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে স্পেশাল বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত ও মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। মৃত হামিদ হোছন ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার পরিবারে বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী, এক মেয়ে, এক ছেলে ও দুই বোন রয়েছে। একের পর এক ছেলেদের এমন মৃত্যুতে বৃদ্ধ মা-বাবা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, এই পরিবারের বড় ছেলে নুর হোছন পাহাড়ী ঢালায় আতংকে, জাহেদ হোছন বাড়ির পাশের টিলা পাহাড় থেকে পড়ে এবং হামিদ হোছন সড়ক দূঘর্টনায় চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করেন। একই পরিবারের ৩ ছেলের দূঘর্টনায় মৃত্যু মানুষের মনে সমবেদনার পাশাপাশি আলোচনার বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।
