সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : গত ১৮ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় অনলাইন টেকনাফ টুডেতে প্রকাশিত “হ্নীলায় ছেলে-মেয়েকে ফিরে পেতে এক পিতার আকুতি” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা পিতা নামধারী মাদক কারবারী, মাদকসেবী মাতালের মাতলামী ছাড়া কিছুই না। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার বিষয়টি আজগুবি গল্প মাত্র।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে, উক্ত সংবাদে পিতা দাবীদার আলমগীর আমার ছোট বোনের জামাই। সে ঢাকার এক ব্যক্তির সাথে মাদক চোরাকারবার করত। আমার বোন অর্থাৎ আলমগীরের স্ত্রী সেলিনা চিকিৎসা নিতে গিয়ে তার ব্যবসায়িক পার্টনার বাড়িতে অবস্থান নেয়। সেখানে ডিবি পুলিশের অভিযানে বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী আটক হয়। মালিক ৫হাজার ও সেলিনাকে ১হাজার ইয়াবা দিয়ে চালান করে দেয়। আমার বোনের কথামতো ভাগিনা-ভাগিনীদের দেখাশুনা করার জন্য বোনের পরিবারে অবস্থান নিই। সে দিন-রাত্রি মাদকসেবন করে মাতাল হয়ে তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাংলোতে থাকা এক ঘরে অবস্থান নেয়। ছেলে-মেয়েদের খাওয়ার খেয়াল রাখেনা। তার প্রতিবাদ করায় তার ভাইয়েরা আমাকে মারধর করে স্বর্ণের চেইন কেড়ে নেয়। এই ঘটনার পর আমি তার বাড়ি ছেড়ে চলে আসি এবং এই কারণে থানায় ও আদালতে পৃথক মামলা রয়েছে। এরপর আমার ভাগিনা-ভাগিনীরা মাদকসেবী পিতার অবহেলা ও অনাহার-অর্ধাহারের বিষয়টি আমাকে জানিয়ে তাদের নিতে আসতে বলে। তাই তারা আমার সাথে চলে আসে। এখানে অপহরণের কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আমার বোনের অনুপস্থিতিতে আমি তাদের লালন-পালন করছি। আমার বোন জামাই কোন দিন ছেলে-মেয়ে দেখার জন্য আমার বাড়িতে পর্যন্ত যায়নি সেখানে তাকে রোহিঙ্গা উপ্রপন্থী সন্ত্রাসী দিয়ে প্রাণনাশের হুমকির বিষয়টি একেবারে হাস্যকর।
আমি আমার বোন জামাই কর্তৃক প্রকাশিত সাজানো সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উক্ত সাজানো, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কল্পনা প্রসূত তথ্যে পরিবেশিত সংবাদে আইন-শৃংখলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
শারমিন আক্তার
স্বামী-মৃত আব্দুল আমিন
সাং-মোচনী-নয়াপাড়া, হ্নীলা, টেকনাফ। ###
