“হ্নীলায় স্ব*শ*স্ত্র দূ*বৃ*র্ত্ত দলের হামলায় পোল্ট্রি খামারী খু*ন” শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৩ years ago

বার্তা পরিবেশক : গত ২ মার্চ স্বনামধন্য নিউজ পোর্টাল টেকনাফ টুডে ডটকম এ প্রকাশিত “হ্নীলায় স্ব*শ*স্ত্র দূ*বৃ*র্ত্ত দলের হামলায় পোল্ট্রি খামারী খু*ন” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে। উক্ত ঘটনায় নজির আহমদ ছৈয়ত্যা নামে এক ব্যক্তি নিহত হলে প্রকাশিত সংবাদে সেই হত্যার দায় আমাদের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে এবং প্রতিবেদক আমাদের কোন বক্তব্য নেয়ার প্রয়োজন মনে করেননি। মূলত আমাদের প্রতিপক্ষের দেয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে আমাদের উপর হত্যার দায় চাপিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের সাথে কথা বললে হয়তো প্রকৃত সত্য বের হয়ে আসতো। কাজেই আমি উক্ত সংবাদের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি সেইদিন রাতে কি ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

প্রকৃতপক্ষে নজির আহমদ প্রকাশ ছৈয়ত্যা নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে ঘটনায় আমরা জড়িত নয়।
সেইদিন (১ মার্চ বুধবার) র মাগরিবের পর আমার ভাই দেলোয়ার হোসেন লবণের মাঠ থেক ফেরার সময়মৃত অলি হোছনের চার ছেলে ছৈয়দ আহমেদ ( ওরফে মৌলয়) নজির আহমেদ ( ওরফে ছইত্যা) নুর মোহাম্মদ ( ওরফে ইয়াবা গডফাদার অদাইয়া) ও হেলাল উদ্দিন এবং আরো বিভিন্ন এলাকা থেকে ভাড়াটিয়া লোকজন এনে হামলা চালায়।

এসময় তারা রংগীখালী রাস্তার মাথায় একটি কালো মাইক্রো এনে রেখেছিল যাতে আমার ভাইকে অপহরণ করে নিয়ে পারে। একপর্যায়ে তারা সবাই আমার ভাই কে পিছন থেকে এসে লাঠি এবং বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করতে থাকে। তখন আমার ভাই মারধর সহ্য করতে না পেরে প্রাণরক্ষঅর্থে তাদেরকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়ে।

তখন আমার ভাই পালিয়ে গেলেও নজির আহমেদ মাটিতে পড়ে যায়। কিন্তু নজির আহমেদের ভাইয়েরা রাতের অন্ধকারে তাকে আমার ভাই দেলোয়ার করে মারধর করতে থাকে এবং বন্দুকের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে।

মারধর শেষ হলে তারা টচের আলো জ্বেলে দেখতে পায় এতক্ষণ যাকে মারধর করেছে সে দেলোয়ার নয় সে তাদেরই ভাই নজির আহমদ। এসময় তাকে আলীখালী ২৫নং সিআইসি হাসপাতালে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাতের অন্ধকারে আমার ভাই দেলোয়ারকে মারধর করতে গিয়ে ভুলে তারা নিজেদের ভাই নজির আহমদ ছৈয়ত্যাকে অনিচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে।

কিন্তু হত্যার দায় থেকে বাঁচতে তারা আমাদের বিরুদ্ধে দোষ চাপানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করা হলে যার প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে আমরা মনে করি।

শুধু তাই নয় জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিগত ২০১৭ সাল থেকে তারা আমাদের হয়রানি করে আসছিল। কারণ ২০১৭ সাল থেকে একটা জমির কারণে তাদের সাথে আমাদের ঝামেলা শুরু হয়। তখন আমরা রংগীখালীর মেম্বার জামাল হোছাইন বিচার দেয়।

কিন্তু তারা মেম্বারের বিচার মানে নাই তারা আরো বলে জামাল মেম্বার নাকি বিচার করতে যানে না তার পর মেম্বার আমাদের কে ডিগ্রি দিয়ে ছিল তার পর আমরা চেয়ারম্যানের কাছে বিচার দিছিলাম তখন চেয়ারম্যান ছিল এইচ কে আনোয়ার এবং চেয়ারম্যান বিচার করে তাদের কে জমিন ছেড়ে দিতে বলছিল তখনও কিন্তু চেয়ারম্যানের বিচারে জমিন আমরা পেয়েছি কিন্তু তারা চেয়ারম্যানের বিচার ও মানে নাই তার পর চেয়ারম্যান আমাদের কে ডিগ্রি দিয়েছিল।

তারা কোনো বিচার মানে না কারণ তারা ইয়াবা ব্যবসা করে অনেক টাকার মালিক। আমরা জমিতে কাজ করতে গেলে তারা ভাড়াটিয়া গুন্ডা ভাড়া করে এনে আমাদের কে জমি থেকে দাওয়া করতো। এভাবে ২০১৭ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তারা জমি দখল করে রেখেছিল।

আবার ২০২৩ সালে আমরা জামাল মেম্বারকে বিচার দিলাম তারপর ও তারা বিচার মানে নাই এর পর আমরা বর্তমান চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী কে বিচার দিলাম তখন চেয়ারম্যান বিচার করে তাদের কে জমিন ছেড়ে দিতে বলছে তার পর তারা বিচার মেনে আমাদের কে জমিন ছেড়ে দিছে।

এখন সেই জমি যখন ছেড়ে দিতে হয়েছে তখন তারা আমাদের উপর ক্ষোভ পুষে রাখে সেই রাগ-ক্ষোভের কারণে আমার ভাই লবণের মাঠ থেকে আসার সময় মেরে অপহরণ নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু আমার ভাইয়ের ভাগ্য ভালো ছিল সে পালিয়ে রক্ষা পায় কিন্তু তাদের মারধরে রাতের অন্ধকারে ভুলবশত নজির আহমদের মৃত্যু হয়।

নুর মোহাম্মদ ওরফে অদাইয়া একজন ইয়াবা গডফাদার হয়েও সে উল্টো আমার ভাইকে ডাকাত আখ্যা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অথচ আমার ভাইয়ের নামে কোন ডাকাতি মামলা নেয়।

সেইদিন রাতে তাদের মারধরে আমার ভাই দেলোয়ারের মাথা ফেটে যায় এবং বর্তমানে সে গুরুত্বর জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পর তারা আমাদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট চালায়।

আমরাও চাই নজির আহমদ হত্যার বিচার হোক। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে কারা প্রকৃত হত্যাকারী তা খুঁজে বের করতে আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি আহবাণ জানাচ্ছি।

নিবেদক
আনোয়ার হোসেন
দশম শ্রেনীর ছাত্র
লেদা উচ্চ বিদ্যালয়

  • আলিখালী
  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
  • প্রতিবাদ
  • হ্নীলা