বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় জমিতে কাজ করতে গিয়েই জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রæতার জেরধরে প্রতিপক্ষ গ্রæপের হাতে সন্ত্রাসী হামলায় কিরিচের কোপে রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আব্দুল শুক্কুর ইন্তেকাল করেছে। রাতেই দাফন করা হয়েছে।
জানা যায়, ১৬মে বিকাল ৫টায় চট্টগ্রাম ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হ্নীলা আলী আকবর পাড়ার খলিল আহমদের পুত্র কিরিচের কোপে রক্তাক্ত আব্দুল শুক্কুর (৩৬) ইন্তেকাল করেছে। মৃতদেহ আইনী প্রক্রিয়া শেষে বাড়িতে আনা হয়েছে।
গত ৬ মে দুপুর ১২টারদিকে হ্নীলা আলী আকবর পাড়ার খলিল আহমদের পুত্র আব্দুল শুক্কুর (৩৬) পাশর্^বর্তী বাঁচা মিয়ার পুত্র আহমদ হোসেন এর বাড়ির পাশে জমিতে যায়। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে আহমদ হোছনের নেতৃত্বে একটি স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রæপ দা-কিরিচ ও লাঠি-সোটা দিয়ে হামলা করে এলোপাতাড়ি কিরিচের কোপে হাত এবং মাথায় রক্তাক্ত করে ফেলে হাতে থাকা মূল্যবান মোবাইল নিয়ে হুংকার দিয়ে বীরদর্পে চলে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পাশর্^বর্তী লোকজন রক্তাক্ত আব্দুল শুক্কুরকে উদ্ধার হ্নীলা উপসহকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান হতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসা সম্ভব না হওয়ায় চট্টগ্রামে রেফার করা হয়। তাকে বাঁচানোর জন্য চট্টগ্রাম ট্রিটমেন্ট হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
এরই মধ্যে আহতের পিতা খলিল আহমদ তার ছেলের উপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার সুবিচার চেয়ে গত ১১ মে টেকনাফ মডেল থানায় স্থানীয় বাঁচা মিয়ার পুত্র আহমদ হোসেন (৪০) সহ নামীয় ৫জন এবং অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অবশেষে সে হাসপাতালে প্রায় ১০দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যুবরণ করল। রাত ১১টার পর স্থানীয় কবর স্থানে জানাজা শেষে দাফন করা হয়েছে।
তার মৃত্যুতে সন্তান সম্ভাবা স্ত্রী, মা-বাবা, ভাই-বোন,বন্ধু-বান্ধব,আতœীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এলাকাবাসী নৃশংস এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেম কামনা করেছেন। ####
