বিশেষ প্রতিবেদক : হ্নীলায় নাফনদীর তীরে অবস্থিত কয়েকটি গ্রামের মধ্যে হোয়াব্রাং একটি জনবহুল গ্রাম। এই গ্রামটি প্রধান সড়ক এবং বেড়িবাঁধের মধ্যবর্তী আলাদা একটি জনবসতি হওয়ায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী আইন-শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা তুলনামূলক কম হওয়ায় এই গ্রামে গড়ে উঠা শক্তিশালী একটি চোরাচালান ও মাদক কারবারী সিন্ডিকেট করোনাকালেও বিভিন্ন মুখোশের আড়ালে তৎপর রয়েছে।
জানা যায়, ৪ জুলাই ভোরে হ্নীলা হোয়াব্রাং বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকার জনৈক লালু ও নুরুল আলমের বাড়ির উত্তর পাশর্^ দিয়ে ইয়াবার একটি চালান খালাসের সময় সীমান্ত রক্ষী বিজিবির টহল তৎপর থাকায় মাদকের চালানের কিছু অংশ পানি ফেলে আর কিছু অংশ নিয়ে মিয়ানমার সীমান্তে পালিয়ে যায়।
বিশ্বব্যাপী চলমান করোনা সংকটের মধ্যেও গত মাসেও হোয়াব্রাং পয়েন্ট দিয়ে মাদকের চালান খালাসের সময় স্থানীয় বিজিবি জওয়ানেরা ইয়াবার চালান জব্দ করতে সক্ষম হয়। তবুও এসব মাদক অপতৎপরতায় লিপ্তদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। এখানে উল্লেখ করা দরকার উক্ত পয়েন্টে আলাদা ৩টি গ্রুপ যাবতীয় অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। অনেকে ভিন্ন এলাকার মাদক বহনকারী ব্যবহার করে এখনো মাদকের চালান পাচার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সুত্র জানায়, পেশী শক্তির দাপটে এলাকা নিয়ন্ত্রণকারীরা বিভিন্ন মাদক কারবারীকে শেল্টার দান আবার কারো নিকট হতে কশিশন গ্রহণের মাধ্যমে এস্ব অপতৎপরতা জিঁইয়ে রেখেছে। তাদেও সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হলে এই পয়েন্টে মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব বলে লোকজন মনে করেন। ###
