কক্সবাজার প্রতিনিধি :
জৈষ্ঠ্যের তীব্র তাপদাহে কক্সবাজারের মহেশখালীতে হিটস্ট্রোকে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া গরমের তীব্রতায় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এক নারীসহ আরও দুজন।
মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ও কালারমারছড়া ইউনিয়নে পৃথক স্থানে ঘটনা দুটি ঘটে।
হিটস্ট্রোকে মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম ব্রজেন্দ্র সুশীল (৬০)। তিনি হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামের মৃত প্রাণ হরি শীলের ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামের ব্রজেন্দ্র সুশীল (৬০) সোমবার সকাল ১০টায় পান বরজে কাজ করতে যান। বেলা ১২টার দিকে তীব্র গরমে ছটফট করতে করতে তিনি বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ ঢলে পড়ে ঘটনাস্থলেই নিথর হয়ে যান।
এতে বাড়ির সদস্যদের মাঝে কান্নার রোল পড়ে। তারা পল্লী চিকিৎসক এনে পরীক্ষা করে দেখেন তিনি মারা গেছেন।
মারা যাওয়া ব্রজেন্দ্র সুশীলের ভাই পল্লী চিকিৎসক বাসুরাম সুশীল বলেন, প্রচণ্ড গরমের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
অন্যদিকে বিকাল ৩টায় কালারমারছড়া ইউনিয়নের মির্জ্জিরপাড়া গ্রামে একটি অনুষ্ঠান চলাকালে তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকে অসুস্থ হয়ে পড়েন নারীসহ দুজন।
এরা হলেন- ওই বাড়ির পুত্রবধূ মফিজ আলমের স্ত্রী রুমা আক্তার (৩০) ও হোয়ানক ইউনিয়নের বানিয়াকাটা গ্রামের মৃত হেদায়েতুর রহমানের ছেলে হাজী কামাল পাশা (৫৭)।
রুমা আক্তার প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুস্থ হলেও হাজী কামাল পাশাকে অজ্ঞান অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
হোয়ানক ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, গ্রামপুলিশ পরিমল কান্তি সুশীল তাকে হিটস্ট্রোকে একজনের মৃত্যুর খবর জানান।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজার জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে তা মাঝারি তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে।
সোমবার কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে তীব্র গরমে খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে।
