সড়ক সংস্কার কাজে বাধাঃ রাস্তা ভরাট করে জবর দখলের পায়ঁতারা
জিয়াউল হক জিয়া,টেকনাফ: গ্রামের নাম হোয়াইক্যং আধাঁরী ছড়া । প্রায় ৫০ ঘর মিলে একটি গ্রাম। আধারী ছড়া নামক গ্রামটি হোয়াইক্যং বাজারের পশ্চিমে হোয়াইক্যং আলহ্জা¦ আলী আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত। এতে বিশাল জনগুষ্টির অবস্থানের পাশাপাশি একটি মসজিদ,হেফজ খানা, ফোরকানিয়া সহ কিছু সামাজিক প্রতিষ্টান ও রয়েছে। উন্নয়ন বঞ্চিত এই গ্রামটির চলাচলের তেমন উপযুক্ত সড়ক নেই। অবহেলিত গ্রামবাসীর চলাচলের জন্য সড়ক সংস্কারের জন্য স্থানিয় মেম্বার সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী লালু উদ্যোগ নিলে জবর দখলকারী, ভূমিদস্যুদের প্রতিবাদের মুখে স্থানিয় ইউপি সদস্য কে ও পিছু হটতে হয়েছে। বর্ষার আগেই চলাচলের রাস্তা দরকার আধারী ছড়ার মানুষের। এ উপলক্ষে নিজেরা চাঁদা তুলে সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেই।
গত ৮ মে ২০১৭ ইং থেকে এলাকার মুরব্বি শমসুল আলম প্রকাশ কালাপুতু ফকির, আব্দুল গফুর এলাকাবাসীর পক্ষে রাস্তা মেরামত করতে মাঠির লেবার দিয়ে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু করে। গ্রাম বাসীর নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৪ চেইন সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয় তারা। কাজ শুরু করার কয়েকদিন পর গত ১২ মে জুমাবার ৩ টায় এলাকার কুখ্যাত খুরশেদ আলম বদিয়া তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে সড়ক সংস্কারকারীদের উপর আক্রমন চালায়। এতে মুশের্দ মিয়া প্রকাশ লাদু কারিগরের স্ত্রী রেহেনা আক্তার সহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। গতকাল ১৪ মে একদল সংবাদ কর্মী সরেজমিনে গেলে এলাকার বয়োবৃদ্ধ মুরব্বি ছৈয়দ হোছন (৭৫),কালাপুতু ফকির (৬৫)শমসু মিকার (৫৮) সাংবাদিকদের জানান, আপনারা দেখুন, আমরা চলাচলের রাস্তা কাটছি, না রাস্তা মেরামত করছি। যা সত্য তা তুলে ধরুন। তাদের মতে এলাকার সর্ব শ্রেনীর মানুষের সুবিধার্তে রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। কারো একক কোন ফায়দা হাসিল করতে নয়। কিন্তু দুঃখজনক হলে ও সত্য যে এলাকার কুখ্যাত খুরশেদ আলম বদিয়া এলাকার মেম্বার, মান্যগন্য বাক্তি তথা পুরো সমাজ কে উপেক্ষা করে রাস্তা মেরামত কাজে বার বার বাধা সৃষ্টি করছে। বনবিভাগের রিজার্ভের পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন, রাস্তা ভরাট করে জবর দখলের পায়ঁতারা করছে।
মাঠির কাজে নিয়োজিত লেবার ইয়াকুব আলী,সিরাজুল ইসলাম,বেলাল উদ্দিন জানায়,এলাকাবাসীর চাঁদার টাকায় আমরা একদিকে ড্রেইন দিয়ে পানি নিষ্কাসনের ব্যাবস্থা, অপরদিকে মাঠি ভরাট করে রাস্তাার সংস্কার কাজ করছি। শমসুল আলম প্রকাশ কালাপুতু ফকির, আব্দুল গফুর, মোঃ জামাল,মান্নান,শাহ আলম,মুর্শেদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকার সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে আমরা সড়ক উন্নয়নের কাজ করছি। এতে কারো বসত ভিটা বা রাস্তা কেটে ফেলার মত অথবা মারামারির মত কোন ঘটনা ঘটেনি। এলাকা সূত্রে জানা যায়, রাস্তা সংস্কার কাজে বাধাদানকারী খুরশেদ আলম বদিয়া ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই একটি লম্বাবন্দুক সহ ধরা পড়ে অস্ত্র মামলায় ৪ বছর জেল খাটে ২০০৮ সালে মুক্তি পাবার পর এলাকায় এসে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। তার মালিকানাধীন চট্রমেট্রো-ম ১৮৭৭৯৮ নং মিনি ট্রাক ইয়াবা সহ নতুন ব্রীজ,রামু মরিচ্যায় বেশ কয়েকবার ধরা পড়ে।কলা কৌশলে পরে গাড়ী ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। এলাকাবাসী এব্যাপারে পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ জানাবেন বলে জানান। তবে এ সব বিষয় অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত খুরশেদ আলম বদিয়া।
