মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম / সাদ্দাম হোসাইন : হোয়াইক্যংয়ে বসত-ভিটা বিরোধের জেরধরে স্থানীয় দুই মহিলাকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। তাদের দ্রæত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার এক মহিলাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় অপর মহিলাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন এক মহিলাকে আটক করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২ নভেম্বর রাত ৮টারদিকে উপজেলার হোয়াইক্যং চাকমারকূলে একদল দূর্বৃত্ত প্রবাসী মাওলানা ছৈয়দ আলমের স্ত্রী হাসিনা আক্তার (৩৫)কে জবাই করে খুন করার চেষ্টা করলে পাশর্^বর্তী মোঃ আলম সওদাগরের মেয়ে আসমা বেগম (১৫) বাঁধা দেয়। দূর্বৃত্ত দল ক্ষুদ্ধ হয়ে আসমা বেগমকে ঘটনাস্থলে জবাই করে খুন করে। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে জড়ো হলে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এদিকে হাসিনা আক্তার ও আসমা বেগমের রক্তাক্ত দেহ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার আসমা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। অজ্ঞান হাসিনাকে বালুখালী রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে মূমুর্ষ অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে আহতের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা এমএ মঞ্জুর নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় হোয়াইক্যং ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী জানান,এই নৃশংস ঘটনায় এক মহিলার মৃত্যু হয়েছে। অপর মূমুর্ষ প্রবাসীর স্ত্রী হাসিনাকে অজ্ঞান অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে এই নৃশংস ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া সার্কেল),উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
৩ নভেম্বর ভোর ৫টারদিকে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে উক্ত ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন শামসুল আলমের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৩৫) কে আটক করে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি সুব্রত রায় জানান। তবে স্থানীয় সুত্রে প্রকাশ বসত-ভিটার জমি বিরোধের কারণে এই নৃশংস ঘটনার সৃষ্টি বলে মন্তব্য করতে শোনা গেছে।
