বিশেষ প্রতিবেদক : হোয়াইক্যংয়ে একই পরিবারের ৪ভাইয়ের মধ্যে ৩ভাই মাদক কারবার করে এখন কোটিপতি বনে গেছে। মাদকের মামলা মাথায় নিয়ে এখনো পর্যন্ত মাদক কারবার অব্যাহত রেখেছে। তাই প্রকৃত মাদক কারবারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
জানা যায়, টেকনাফের হোয়াইক্যং মিনা বাজার এলাকার ছৈয়দ আলম বাজারে বাঘগোলা বিক্রি করে সংসার চালাত। কিন্তু তার ঘরের ৩ছেলে ইসহাক, খোরশেদ ও ইউনুছ কয়েকটি মাদকের মামলার আসামী হওয়ার পরও মাদক চোরাচালান বন্ধ করেনি। তার ৪র্থ ছেলে মোঃ খোরশেদ গত ১৯ নভেম্বর শুক্রবার ঢাকা ডেমরা থানায় ১০হাজার ইয়াবাসহ আটক হয়। এর এক সপ্তাহ আগে বড় ভাই ইসহাক ইয়াবা মামলায় কক্সবাজার কারাগার হতে জামিনে বের হয়ে আসে। ৩য় ভাই ইউনুছের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের শেষে চট্টগ্রামের নয়াব্রীজে ইয়াবাসহ আটকের মাদক মামলা রয়েছে। এদিকে পিতা এলাকায় বাঘগোলা বিক্রেতা হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, এটি কৌশল মাত্র। ঢাকা ও কক্সবাজারে সম্পদ গড়েছে।
এসব মাদক কারবারীদের কারণে স্থানীয় সাধারণ মাছ চাষী এবং স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হয়ে আসছে।
গত সপ্তাহে মৎস্যঘেঁর মালিকের আড়ালে থেকে একটি প্রভাবশালী চক্রের মাদকের চালান বহন করতে গিয়েই বিজিবির সাথে বন্দুকযুদ্ধে মামুন নামে এক মাদক কারবারী নিহত হওয়ার পর উক্ত এলাকার প্রকৃত ঘেঁর মালিকেরা বেকায়দায় পড়েছে।
এই ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার কবির আহমদ জানান,যারা প্রকৃত অপরাধী তা অবশ্যই আইনের হাতে ধরা পড়বে। উপরোক্ত ৩ভাই মাদক মামলার আসামী বলে তিনি স্বীকার করেন।
এই ব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আব্দুল আলীম জানান, চিহ্নিত এসব মাদক কারবারীদের পরিচয় নিশ্চিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ##
