টেকনাফে জমি বিরোধের জের ধরে নিহত সাবরাং নয়াপাড়ার আব্দর রহমান ও ঘটনার দিন অস্ত্র হাতে ইসমাইলসহ হামলাকারীদের কয়েকজন
নিজস্ব প্রতিনিধি :
হত্যাকান্ডের ১ মাস দশ দিন পেরিয়ে গেলেও ধরা পড়েনি টেকনাফের সাবরাং নয়াপাড়ার আব্দুর রহমান হত্যা মামলার আসামীরা। উল্টো তারা বাদি ও নিহতের পরিবারকে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে অসহায় অবস্থান দিনযাপন করছে নিহত আব্দুর রহমানের স্ত্রী-সন্তান, ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ বলছে তারা আসামীদের ধরার জন্য তৎপর রয়েছে। আসামীরা পলাতক হওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানা যায়, গত নভেম্বর মাসের ৯ নভেম্বর জমি জমার বিরোধের জের ধরে আপন চাচাত ভাইদের হাতে খুন হন সাবরাং নয়াপাড়া এলাকার আব্দুল গফুর ওরফে জাফর আহমদের ছেলে নোহা চালক আব্দুর রহমান।
এসময় লাফার ঘোনার আব্দুল মজিদের বাড়িতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের বিষয় নিয়ে বৈঠক চলাকালে হামলা চালায় আপন চাচাতো ভাই কচুবনিয়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল, আমান উল্লাহর নেতৃত্বে তার অন্যান্য ভাইয়েরা সহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা।
এসময় তাদের ছুরিকাঘাতে আব্দুর রহমান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে তাকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার একদিন পর নিহতের ভাই আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে ১৪ জন নামীয় ও অজ্ঞাত ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় উপ পরিদর্শক মাহমুদুল হাসানকে।
কিন্তু হত্যাকান্ডের এক মাস দশ দিন পেরিয়ে গেলেও মামলার কোন আসামীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার কয়েকজন আসামী উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়ে এলাকায় ঘুরাফেরা করছেন এবং মামলার বাদি ও নিহতের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। এমনকি আব্দুর রহমানের শিশু সন্তানদের গুম করে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে তারা।
এ ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় নিহতের পরিবার।
উক্ত মামলার আসামীরা হচ্ছে কচুবনিয়া এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল, আমান উল্লাহ, মৌলানা আবুল ফয়েজ, সিরাজ উল্লাহ, মো. আসিফ, মো. আনিস, মো. শফিক, আব্দুল ক্দ্দুুস, গুল চন্তা, হারিয়াখালীর মকবুল আহমদের ছেলে সৈয়দ আহমদ, সৈয়দ আহমদের ছেলে মো. আবসার, কাটাবুনিয়ার আব্দুল মাবুদের ছেলে মো. ফারুক, মো. হারুন ও ফসল আহমদসহ অজ্ঞাত ৪-৫জন।
