গত ১১মে দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ মে জেলা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ পত্রিকায় পত্রিকায় প্রকাশিত “দেশে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে ১১৫১জন গডফাদার” ও ১৫ মে দৈনিক কক্সবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত ‘‘ইয়াবা থেকে দায় মুক্ত এমপি বদি, নতুন তালিকায় ৬০ গডফাদার’’ শীর্ষক সংবাদ সমুহ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের একাংশে আমার নাম দেখে আমি বিস্মিত ও হতবাক হয়েছি। কাজেই আমি প্রকাশিত উক্ত সংবাদের একাংশে আমার নাম থাকায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
কেননা আমি কখনো ইয়াবা তথা মাদকের মতো কোন ব্যবসায় কখনো জড়িত ছিলাম না এবং এখনো নেই। ঘৃনিত এ ব্যবসায় কখনো জড়িত না থাকায় অতীতে কখনো কোন সংবাদে তথা কোন তালিকায় আমার নাম ছিল না এবং দেশের কোন থানায় কখনো আমার নামে এসংক্রান্ত কোন মামলা অথবা ডাইরীও থাকার কথা শুনিনি। তাই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ইয়াবা ব্যবসা না করেও এবং অতীতে কখনো কোন তালিকায় নাম না থাকলেও হঠাৎ করে আমি কেন গডফাদার হয়ে গেলাম !
সবার জ্ঞাতার্থে আমি এও জানাতে চাই যে, মূলত বৈধ ব্যবসার মাধ্যমেই আমি জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। গত দুই হাজার সালে চাকুরীজীবি পিতাকে হারায়। এরপর মায়ের পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রি করে অল্পবয়সে সংসারের হাল ধরি। পরবর্তীতে জমি বিক্রির টাকা পুঁিজ করে ব্যবসা শুরু করি। একপর্যায়ে টেকনাফ স্থল বন্দরের ব্যবসা শুরু করি। ২০১৩ সাল থেকে স্থল বন্দরের একজন বৈধ আমদানীকারক হিসাবে নিজস্ব লাইসেন্সে কাঠ ও শাহপরীরদ্বীপ ক্যাডল করিডোর দিয়ে গবাদি পশু আমদানি ব্যবসার পাশাপাশি পৌরসভার ঠিকাদার হিসাবে বৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছি। আমদানীকৃত কাঠের দরজা-চৌকাঠ সরবরাহ আমার অন্যতম একটি ব্যবসা। এভাবে নানা চড়াই উৎড়াই পেরিয়ে আজ ব্যবসায়ীক উন্নতি সাধন করি।
এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল গত স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচনের পরাজয়ের প্রতিহিংসা থেকে ও প্রকৃত ইয়াবা গডফাদাররা নিজেদের আড়াল করতে চক্রান্ত করে আমাদের মতো নিরীহ ও বৈধ ব্যবসায়ীদের নামে কৌশলে তালিকাভুক্ত উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ তথা আইন শৃংখলা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।
কাজেই আমি উক্ত সংবাদের একাংশের প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আইন শৃংখলা বাহিনী সহ সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক ভাবে যাচাই বাছাই করে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় আনা ও যাচাই বাছাই করে সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিক ভাইদের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।
নিবেদক
মারুফ বিন খলিল বাবু
টেকনাফ।
