সকালের কক্সবাজার সহ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

গত ২ আগস্ট কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক সকালের কক্সবাজার, দৈনিক দেশবিদেশ, আজকের কক্সবাজার ও হিমছড়িসহ কয়েকটি পত্রিকায় টেকনাফে ব্যবসায়ীকে ইয়াবা মামলায় ফাসালো থানার সোর্স শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমাকে জড়িযে যে সংবাদ প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচিছ।
গত ৩০ জুলাই এলাকার এজাহার মিয়া নামক এক ব্যাক্তিকে ৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ পুলিশ আটক করে। ওই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরন করেন। সে ঘটনা জাতীয়, ও স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইনে নিউজটি ছাপা হয়েছে। কিন্তু একটি মহল সামাজিক ভাবে আমার পরিবারকে হেয় করার জন্য আমাকে থানার র্সোস হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। থানায় র্সোস করে চলতে হবেনা। আমি টেকনাফ উপরের বাজারের প্রতিষ্টিত ব্যবসায়ী। তাছাড়া বর্তমানে টেকনাফ উপরের বাজার সমিতির সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছি। আমার পরিবারটি সাবরাং এর ঐতিহ্যবাহী একটি পরিবার। আমার বড় ভাই সুলতান আহাম্মদ দীঘ ২৫ বছর ধরে এলাকায় জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তাছাড়া দুই দুই বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রাথী ছিলেন।
উক্ত সংবাদে এজাহার মিয়ার স্ত্রী হাসিনা খাতুনের উদ্ধৃতি দিয়ে যে টাকার কথা বলা হয়েছে তা মোটেও সত্য নয়। আমি কেন থানা পুলিশের জন্য টাকার কথা বলবো। এজাহার মিয়াকে পুলিশ আটকের পর তাদের কারো সাথে আমার কোন কথাও হয়নি। একটি মহল আমাকে গায়েল করার জন্য ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালিয়ে যাচেছন। বর্তমানে আমাদের ওর্য়াডের ইউপি সদস্য নিহত হওয়ায় মহলটি আমাকে এবং পরিবারের মানক্ষুন্ন করতে উঠে পড়ে লেগেছে। আগামী ইউপি সদস্য নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার পরিবারের জনপ্রিয়তা ওই মহলের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে।
মূলত এজাহার মিয়া মাঝি স্বরাস্ত্রমন্ত্রীর তালিকাভূক্ত একজন মানব পাচারকারী। তার ভাই খুল্ল্যা মিয়া মানব পাচারের কয়েকটি মামলার আসামী। টেকনাফে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপে মানব পাচার বন্ধ হয়ে গেলে এরা নেমে পড়ে মাদক পাচারে। এজাহার মিয়া ও খুইল্ল্যা মিয়ার নেতৃত্বে একটি ইয়াবা সিন্ডিকেট নিজস্ব ইঞ্চিন চালিত নৌকায় সাবরাং আলীর ডেইল, কুয়াইনছড়ি পাড়া ও খুরের মুখ উপকূল ব্যবহার করে ইয়াবা গডফাডারদের সাথে আতাঁত করে লাখ লাখ পিস ইয়াবার চালান খালাস করেন। এ ইয়াবার চালান খালাস করে রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে যায়। এজাহার মিয়া ও খুইল্ল্যা মিয়া কি করে তা এলাকাবাসী ও প্রশাসন ভাল করে জানে।
প্রতিবাদকারী ছিদ্দিক আহাম্মদ পিতা:-খুইল্ল্যা মিয়া
আলীর ডেইল, সাবরাং।