বার্তা পরিবেশক : গত ২রা নভেম্বর আইপি অনলাইন টিভি “জি কক্স টিভি” টেকনাফ নিউজ ৭১ ফেইজবুক পেইজসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার স্ত্রী দাবীদার জনৈক মোমিনার স্বাক্ষাতকার এবং বক্তব্যটি দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
রোহিঙ্গা শাহ আলমের মেয়ে মোমিনা খাতুন মুমু (৪০) একজন পর পুরুষ লোভী মেয়ে। আমি একজন ২১ বছরের যুবক হওয়ায় সে বিভিন্ন কুনজরে কৌশলে আমাকে বিয়ের জন্য উঠেপড়ে লাগে। আমি মামলা ও হয়রানির ভয়ে নিরুপায় হয়ে তাকে বিয়ে করি। দীর্ঘ ৭ বছর ঘর-সংসার চলাকালীন মাঝে-মধ্যে সে ৫/৬ দিন কোথায় যেন নিরুদ্দেশ হয়ে যায় আবার এসে আমার সাথে নাটকীয় অভিনয় করে। তখন থেকে সে পর পুরুষের সাথে পরকীয়ায় জড়িত হওয়ার বিষয়টি আমার মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে। সে আমাকে সহজে স্বামী হিসেবে পাত্তা দিতে চাইনা। যা নিয়ে খুবই মানসিক টেনশনে ছিলাম। গত ২০২০সালের ২৪মে সকাল ১০টারদিকে বাড়িতে থাকা নগদ দেড় লক্ষ টাকা, ৩ভরি ওজনের স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন ক্যাম্পে থাকা তার আতœীয়-স্বজনের নিকট পালিয়ে যায়। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সে নির্দিষ্ট ঠিকানা দেয়না। তখন আমি নিরুপায় হয়ে তার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিই এবং টেকনাফ মডেল থানায় গত ২৭/০৫/২০২০ইং একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
এরপর সে আমার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করে। শেষ পর্যন্ত আমার পক্ষে রায় আসায় নিরুপায় হয়ে দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় পর হঠাৎ গতকাল উপরোক্ত মাধ্যমে তার স্বাক্ষাতকার দেখতে পাই। এতে সে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে যা যা বলেছে সবই ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট। সে প্রকৃতভাবে কোন চরিত্রের নারী তা প্রতিবেশী সবাই জানে। স্বাক্ষাতকার শুনে মনে হয় আপনারা সচেতনমহল বিষয়টি উপলদ্ধি করতে পেরেছেন। আমি নতুন করে কিছুই বলতে চাইনা। আমাকে হেয়পন্ন করার জন্য পরিকল্পিভাবে প্রকাশিত সংবাদাংশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ছলনাময়ী রোহিঙ্গা নারীর মায়া কান্নায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী :
সোলতান আহমদ
পিতা-মৃত মনিরুজ্জামান
সাং-পূর্ব লেদা, হ্নীলা, টেকনাফ। ###
