গোলাম মওলা, রামু।
রামু সংরক্ষিত বনের নিকটে গড়ে উঠেছে অনুমোদন বিহীন একাধীক স-মিল। এসব স-মিলে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট চোরাইকৃত বনের গাছ চিরাই করে বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে।রামু খুনিয়া পালং ইউনিয়নে দারিয়ার দিঘী মৌলভীপাড়ায় অবৈধভাবে সরকারী জায়গায় পাহাড় খেটে অবৈধ স-মিল স্থাপন করে এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী সিন্টিকেট। জানাগেছে, তারা রাতের আধাঁরে বনের গাছ কেটে বড় বড় ট্রাক ও পিক আপ গাড়ি করে বনভূমি সাবাড় করে নিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কায়দায়। এতে করে আস্তে আস্তে সরকারি বনে সংরক্ষিত জামগাছ, গর্জনগাছ ,একশিয়া ও সামাজিক বনায়নের গাছ উজাড় করায় পরিবেশ দিন দিন হুমকির মূখে পড়ছে।স্থানীয় সচেতন ব্যাক্তিরা বলেন, প্রশাসনিক কিছু ঘোষখোর কর্মকর্তা প্রায় সময় অভিযানের নামে স-মিলে আসে কিন্তু বড়ই দুঃখের বিষয় হাকঁডাক দিয়ে ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে চলে যায়।তাই তারা মনে করেন, প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে নয় বরং তাদের কারণে আজ বনভূমির এ বেহাল অবস্থা।বনবিভাগের কর্মকর্তারা সৎ মনোভাব নিয়ে এলাকার চিহ্নিত গাছ খেকো আর পাহাড় খেকোদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে তা বন্ধ করা সম্ভব । দায়িত্ব বান সরকারি কর্মচারিদের অবহেলার কারণে আজ অবৈধভাবে সরকারি জায়গায় দখল করে কোন অনুমোদন ছাড়া বন বিভাগের নাকের ডগায় বসে অবৈধ স-মিল বসিয়ে রাতারাতি আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ হয়ে গেছে। বাংলাদেশ সরকার বনভূমি, বনেরগাছ,বন্য প্রাণীসম্পদ রক্ষার জন্য প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা খরচ করতেছে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের কে দিয়ে। আবার এদের বেতন ভাতা পোশাক আশাক সহ জাবতীয় সরজ্ঞাম দিয়ে তাদের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করতেছে বন রক্ষার জন্য।কিন্তু তার বিনিময়ে বাংলাদেশের সরকারি সম্পদ রক্ষার জন্য তাদের ভূমিকা কি তা সবার কাছে প্রশ্ন বিদ্ধ।আরে ভাই অফিস রুমে যখন গরমের দিনে এসি চালিয়ে বসে থাকেন তখন একটু নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করবেন। পুরো কক্সবাজার জেলায় বনভূমির কি বেহাল অবস্থা।খুনিয়া পালং দারিয়ারদিঘী মৌলভী পাড়া এলাকায় পাহাড় কাটার মহা উৎসব চলছে আর বনের ভিতরে পাহাড় কেটে সমতল করে স-মিল বসিয়ে সরকারি বাগানের গাছ নিধন করতেছে।রামুর সর্ব বৃহত পাহাড়ি বনভূমি রয়েছে খুনিয়া পালং ইউনিয়নে আর এ পাহাড়ি এলাকায় বনভূমির পাহাড় কেটে স-মিল বসিয়ে বনের গাছ চিরায় করতেছে। বনবিভাগের কর্মকর্তারা কোন ধরণের খবরও রাখেনা।মাসে মাসে টাকা পেলে হয়ে গেল কত সরকার যাবে আর আসবে আমাদের লাগে টাকা। লিখা পড়ে একটু গাঁয়ে লাগলে অনেকে বলে স-মিল থেকে টাকা না পাওয়াতে এসব। সরেজমিনে পরিদর্শনে জানাগেছে,খুনিয়াপালং ইউনিয়নে সংঘবদ্ধ কাঠ চোরদের কারণে গাছপালায় ঘেরা পাহাড় সমূহ আজ ন্যাঁড়া হয়ে গেছে। সামাজিক বনায়নসহ যা কিছু স্থিতি রয়েছে তাও সমূলে ধ্বংস করার জন্য এই চলমান অবৈধ স-মিল একটাই যতেষ্ঠ। রামুর একটি সুযোগ সন্ধানী চক্র এসব অবৈধ কর্মকান্ড থেকে সুবিধা আদায় করায় অবৈধ সমিল মালিকরা আরো বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানায়।সরকারি বিধি অনুযায়ী এসব স-মিল করতে হলে সংরক্ষিত বন হতে দশ কিলোমিটার দূরত্বে থাকতে হবে। কিন্তু বনবিভাগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে বনের ভিতরেই পাহাড় কেটে বীরদর্পে অবৈধ স-মিল দিন রাত চালিয়ে যাচ্ছে।অথচ বন বিভাগের কর্মকর্তারা দেখে না দেখার বান করে আছে।চোখে রঙ্গিন চশমা লাগিয়ে গাড়িতে করে বনের চারি দিকে ঘুরে বেড়ায় কিন্তু বনে ভিতর পাহাড় কেটে স-মিল বসিয়ে কাট চোরেরা বন নিধন করে যাচ্ছে তারদিকে একটুও খেয়াল নাই।বলেন তো আমরা কোন দেশে বাস করি ? উত্তরে পাবেন যে, দেশে টাকার বিনিময় সব অবৈধ কাজকে বৈধ বলে সে দেশে বসবাস করি। বন বিভাগের শতকোটি টাকার জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা রহস্যময় নীরবতা কর্তৃপক্ষের তাতে কি বুজা যায়। তাই রামুর আপামর জনসাধারণের অভিযোগে যে,ঘোষ নেওয়ার ব্যপারে উল্লেখ করা হয়েছে।তা যদি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের ভূল মনে হয় আমাদের অনুরুধ থাকবে নিরপেক্ষ একটি তদন্ত টিম গঠন করে পাহাড়ি বন ভূমিতে যে স্থাপনা করা হয়েছে তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে জানতে পারবেন কত টাকার বিনিময়ে বড় বড় দালান কোটা তৈরী করা হয়েছে।
রামু উপজেলা খুনিয়াপালং এর সর্ব স্থরের জনগনের দাবী,জরুরী ভিত্তিতে বনসম্পদ রক্ষায় অবৈধ স-মিল উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে বিভাগীয় বনকর্মকর্তা,বনসংরক্ষক কক্সবাজার জেলা,সহকারী বনসংরক্ষক কক্সবাজার দক্ষিণ(এসিএফ) ও দারিয়ারদিঘীর বিট কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
