টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
টেকনাফ উপজেলা পরিষদে আবারো প্রার্থী হতে চান টেকনাফের আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ শফিক মিয়া। টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের তিন তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শফিক মিয়া সীমান্ত উপজেলার মানুষের নিকট একজন পরীক্ষিত রাজনীতিক ও সমাজকর্মী। তিনি টানা ১৫ বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে জনগণের সেবা দিয়ে পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জড়িত ছিলেন তৃণমূল মানুষের সাথে। তারও আগে তিনি পর পর দুইবার ছিলেন সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার।
সীমান্ত এলাকার পরিচ্ছন্ন এই রাজনীতিক ১৯৬৯ সাল থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৮৬ সাল থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত হয়ে পড়েন। ১৯৯১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত একটানা ২২ বছর যাবত তিনি টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতিও ছিলেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৭ সালে মোহাম্মদ শফিক মিয়া কক্সবাজার জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
সীমান্ত জনপদের সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিত এই পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক তাঁর রাজনৈতিক জীবনে একেবারেই কালিমামুক্ত। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা-মোকদ্দমা পর্যন্ত নেই। যেখানে টেকনাফ সীমান্তের একজন রাজনীতিককে ‘ইয়াবামুক্ত’ পাওয়াই মুশকিল সেখানে এ ব্যক্তি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেই লালন করে চলেছেন। অতীতের আওয়ামী রাজনীতির অত্যন্ত দুর্দিনেও এক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান ছিল সীমান্তের বটগাছের মত। এ কারনেই সীমান্ত জনপদের আপামর মানুষ একজন বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ শফিক মিয়াকে আবারো পেতে চান উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে।
সূত্র কালের কন্ঠ
